সংবাদ

মিশরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করার আগে আত্মবিশ্বাসী ব্রাজিল


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৭ জুন ২০২৬, ০৮:০২ এএম

মিশরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করার আগে আত্মবিশ্বাসী ব্রাজিল

​২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর ঠিক আগমুহূর্তে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। মিশরকে ২-১ গোলে হারিয়ে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নামছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

​যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে গোল দুটি করেন ব্রুনো গিমারেস ও তরুণ সেনসেশন এন্দ্রিক। মিশরের পক্ষে একমাত্র সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন মোস্তফা জিকো।

​ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা আক্রমণাত্মক ছন্দে খেলা শুরু করে সেলেসাওরা। যার ফল মেলে ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই। মিশরের মিডফিল্ডার মোহানাদ লাশিনের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে ব্রাজিলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন ব্রুনো গিমারেস।

​তবে ব্রাজিলের সেই লিডের আনন্দ স্থায়ী হয়েছে মাত্র চার মিনিট। দ্বাদশ মিনিটে ব্রাজিলের রক্ষণভাগের তারকা মারকুইনিওসের ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে মিশরকে সমতায় ফেরান মোস্তফা জিকো। তাঁর শট ফাঁকি দেয় ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে।

​১-১ সমতায় ফেরার পর মিশরকে চেপে ধরে ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া ও ইগর থিয়াগোরা একের পর এক আক্রমণ চালালেও মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর দুর্দান্ত কিছু সেভ করে প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে আর এগিয়ে যেতে দেননি।

​দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে একযোগে আটটি পরিবর্তন আনেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। বেঞ্চ থেকে মাঠে নেমেই কোচের আস্থার প্রতিদান দেন ১৯ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক।

​উইঙ্গার রাফিনিয়ার দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে তৈরি হওয়া সুযোগকে দারুণভাবে কাজে লাগিয়ে ব্রাজিলের জয়সূচক গোলটি করেন এন্দ্রিক। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা ছয় ম্যাচ গোলহীন থাকার পর এই গোলটি এই তরুণ তারকার আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে।

​পুরো ম্যাচজুড়েই ব্রাজিলের আক্রমণভাগ ছিল দারুণ সক্রিয়। বিশেষ করে রাফিনিয়া পুরো ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ৫টি সফল ড্রিবল করার পাশাপাশি দুটি বড় গোলের সুযোগ তৈরি করেন। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ম্যাথিউস কুনহা ও এন্দ্রিকরাও পুরো সময় ব্যস্ত রেখেছেন মিশরের ডিফেন্সকে।

​বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় ছিল মহাতারকা নেইমারের ফিটনেস ও তাঁর অনুপস্থিতি। তবে এই ম্যাচে আনচেলত্তির শিষ্যরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, নেইমারকে ছাড়াও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চূর্ণ করার মতো যথেষ্ট শক্তিমত্তা এই স্কোয়াডের রয়েছে।

​আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল। অন্যদিকে, ১৫ জুন বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে মিশর। তার আগে শেষ মুহূর্তের এই জয় ব্রাজিল শিবিরে এনে দিল স্বস্তির হাওয়া।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬


মিশরকে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করার আগে আত্মবিশ্বাসী ব্রাজিল

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

​২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর ঠিক আগমুহূর্তে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে জয় তুলে নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। মিশরকে ২-১ গোলে হারিয়ে পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নামছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

​যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে গোল দুটি করেন ব্রুনো গিমারেস ও তরুণ সেনসেশন এন্দ্রিক। মিশরের পক্ষে একমাত্র সান্ত্বনাসূচক গোলটি করেন মোস্তফা জিকো।

​ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা আক্রমণাত্মক ছন্দে খেলা শুরু করে সেলেসাওরা। যার ফল মেলে ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই। মিশরের মিডফিল্ডার মোহানাদ লাশিনের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে ব্রাজিলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন ব্রুনো গিমারেস।

​তবে ব্রাজিলের সেই লিডের আনন্দ স্থায়ী হয়েছে মাত্র চার মিনিট। দ্বাদশ মিনিটে ব্রাজিলের রক্ষণভাগের তারকা মারকুইনিওসের ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে মিশরকে সমতায় ফেরান মোস্তফা জিকো। তাঁর শট ফাঁকি দেয় ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে।

​১-১ সমতায় ফেরার পর মিশরকে চেপে ধরে ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া ও ইগর থিয়াগোরা একের পর এক আক্রমণ চালালেও মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর দুর্দান্ত কিছু সেভ করে প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে আর এগিয়ে যেতে দেননি।

​দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে একযোগে আটটি পরিবর্তন আনেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। বেঞ্চ থেকে মাঠে নেমেই কোচের আস্থার প্রতিদান দেন ১৯ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক।

​উইঙ্গার রাফিনিয়ার দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে তৈরি হওয়া সুযোগকে দারুণভাবে কাজে লাগিয়ে ব্রাজিলের জয়সূচক গোলটি করেন এন্দ্রিক। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা ছয় ম্যাচ গোলহীন থাকার পর এই গোলটি এই তরুণ তারকার আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে।

​পুরো ম্যাচজুড়েই ব্রাজিলের আক্রমণভাগ ছিল দারুণ সক্রিয়। বিশেষ করে রাফিনিয়া পুরো ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ৫টি সফল ড্রিবল করার পাশাপাশি দুটি বড় গোলের সুযোগ তৈরি করেন। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ম্যাথিউস কুনহা ও এন্দ্রিকরাও পুরো সময় ব্যস্ত রেখেছেন মিশরের ডিফেন্সকে।

​বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় ছিল মহাতারকা নেইমারের ফিটনেস ও তাঁর অনুপস্থিতি। তবে এই ম্যাচে আনচেলত্তির শিষ্যরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, নেইমারকে ছাড়াও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চূর্ণ করার মতো যথেষ্ট শক্তিমত্তা এই স্কোয়াডের রয়েছে।

​আগামী ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল। অন্যদিকে, ১৫ জুন বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে মিশর। তার আগে শেষ মুহূর্তের এই জয় ব্রাজিল শিবিরে এনে দিল স্বস্তির হাওয়া।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত