পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রতিযোগিতার জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ হারিয়েছে এক মেধাবী শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অবহেলার কারণে এমনটি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের মধ্যে গভীর ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী নাঈমুন নাহার অথৈ উপজেলার ৭০ নম্বর পাটিকেলবাড়ী বিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। সে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছিল।
শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের দাবি, উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রতিযোগিতার সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দুই দিন আগেই প্রধান শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানানো হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় অথৈ নির্ধারিত সময়ে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেনি।
অভিভাবকেরা জানান, তারা বারবার যোগাযোগ করলেও প্রধান শিক্ষক দাবি করেন যে তিনি কোনো বার্তা পাননি। তবে অভিভাবক মহলের দাবি, সময়মতো বার্তা পাঠানোর তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর এমন সুযোগ নষ্ট হওয়ায় তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বীথিকা মৈত্র বলেন, “আমি দুই দিন পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চেক করেছি, কিন্তু প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাইনি। অথৈ অংশগ্রহণ করে পুরস্কার পেলে আমরাই সবচেয়ে বেশি খুশি হতাম।”
নেছারাবাদ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. কামাল হোসেন বলেন, “জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার নির্দেশনা প্রধান শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেওয়া হয়েছিল। অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সেই তথ্য অনুযায়ী অংশ নিয়েছেন। শিক্ষার্থীটির অংশ নিতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, এমন অবহেলা মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রতিযোগিতার জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ হারিয়েছে এক মেধাবী শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অবহেলার কারণে এমনটি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের মধ্যে গভীর ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী নাঈমুন নাহার অথৈ উপজেলার ৭০ নম্বর পাটিকেলবাড়ী বিশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। সে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছিল।
শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের দাবি, উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রতিযোগিতার সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দুই দিন আগেই প্রধান শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানানো হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় অথৈ নির্ধারিত সময়ে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেনি।
অভিভাবকেরা জানান, তারা বারবার যোগাযোগ করলেও প্রধান শিক্ষক দাবি করেন যে তিনি কোনো বার্তা পাননি। তবে অভিভাবক মহলের দাবি, সময়মতো বার্তা পাঠানোর তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর এমন সুযোগ নষ্ট হওয়ায় তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বীথিকা মৈত্র বলেন, “আমি দুই দিন পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চেক করেছি, কিন্তু প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাইনি। অথৈ অংশগ্রহণ করে পুরস্কার পেলে আমরাই সবচেয়ে বেশি খুশি হতাম।”
নেছারাবাদ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. কামাল হোসেন বলেন, “জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার নির্দেশনা প্রধান শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেওয়া হয়েছিল। অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সেই তথ্য অনুযায়ী অংশ নিয়েছেন। শিক্ষার্থীটির অংশ নিতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, এমন অবহেলা মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন