পঞ্চগড় সদর উপজেলায় বাদাম ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মকছেদুল ইসলাম (২৬) নামের এক ইজিবাইক চালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা ও বড় ভাই আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের লাঙ্গলগাঁও বড়বাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মকছেদুল ওই এলাকার আবু হোসেনের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে মকছেদুল তার বাবা আবু হোসেন (৫২) ও বড় ভাই মোজাফফর হোসেনের (৩৬) সঙ্গে নিজেদের ক্ষেতের বাদাম তোলার কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা দ্রুত বাদাম গোছাতে থাকেন। তখনই আকস্মিক বজ্রপাতে তারা ৩ জন অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মকছেদুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় বাদাম ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মকছেদুল ইসলাম (২৬) নামের এক ইজিবাইক চালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা ও বড় ভাই আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের লাঙ্গলগাঁও বড়বাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত মকছেদুল ওই এলাকার আবু হোসেনের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে মকছেদুল তার বাবা আবু হোসেন (৫২) ও বড় ভাই মোজাফফর হোসেনের (৩৬) সঙ্গে নিজেদের ক্ষেতের বাদাম তোলার কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা দ্রুত বাদাম গোছাতে থাকেন। তখনই আকস্মিক বজ্রপাতে তারা ৩ জন অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মকছেদুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন