মাঠে খেলা গড়ানোর আগেই নরসিংদী জেলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। প্রিয় দলের পতাকা ও জার্সি কিনতে ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত শপিং মলগুলোতে এখন ফুটবলপ্রেমীদের ভিড়। জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ।
জেলার ৬টি উপজেলার ৭২টি ইউনিয়নের ছোট-বড় বাজারগুলোতে এখন জার্সি ও পতাকার রমরমা ব্যবসা চলছে। এমনকি বাস স্টেশন, রেলওয়ে স্টেশন, অফিস, আদালত এবং স্কুল-কলেজের সামনে অস্থায়ীভাবে ফেরি করে পতাকা বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। দোকানিরা আকাশী-সাদা কিংবা হলুদ-সবুজ রঙের জার্সির পসরা সাজিয়ে বসেছেন। বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সি। এ ছাড়া জার্মানি, পর্তুগাল ও ফ্রান্সের জার্সিরও চাহিদা রয়েছে। ফুটপাতে ১৩০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে জার্সি পাওয়া গেলেও শপিং মলগুলোতে তা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকায়।
নরসিংদী স্টেডিয়াম মার্কেটের রাজিব স্পোর্টসের মালিক রাজিব হাসান জানান, গত ২০ দিন ধরে তিনি জার্সি ও পতাকা বিক্রি করছেন। প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার মালামাল বিক্রি হচ্ছে। খেলা যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি তত বাড়বে বলে তার আশা। ডিসি রোডে ফেরি করে পতাকা বিক্রি করা শান্ত জানান, ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা দামের পতাকা আছে তার কাছে। এখন প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার টাকার পতাকা বিক্রি হচ্ছে। নরসিংদী সরকারি কলেজের সামনে প্রায় দুই দশক ধরে মৌসুমি পতাকা ব্যবসা করা আলতাফ বলেন, আকারভেদে ১৫০ থেকে ৮০০ টাকায় তিনি বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি করছেন। এর পাশাপাশি ১৫০ টাকায় বাংলাদেশের পতাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা জানাতে পিছিয়ে নেই সমর্থকেরাও। বাজি মোড়ের একটি দোকানে জার্সিতে নাম লেখার কাজ করা আমিনুল ইসলাম বলেন, সাধারণ জার্সিতে নাম লেখাতে ১০০ টাকা এবং ‘অফিশিয়াল জার্সিতে’ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সিতেই সবচেয়ে বেশি নাম লেখাচ্ছেন সমর্থকেরা।
আর্জেন্টিনার সমর্থক জাহাঙ্গীর বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার ভক্ত। বিশ্বকাপ উপলক্ষে বড় পতাকা বানিয়ে ছাদে টাঙিয়েছি, নতুন জার্সিও কিনেছি।’ অন্যদিকে বাডুয়ারচর থেকে আসা ব্রাজিল সমর্থক শাকিব বলেন, ‘৬০০ টাকা দিয়ে প্রিয় দলের জার্সি কিনেছি। দাম কিছুটা বেশি হলেও বিশ্বকাপের এই উন্মাদনায় তা মানিয়ে নেওয়া যায়।’
/

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
মাঠে খেলা গড়ানোর আগেই নরসিংদী জেলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। প্রিয় দলের পতাকা ও জার্সি কিনতে ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত শপিং মলগুলোতে এখন ফুটবলপ্রেমীদের ভিড়। জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ।
জেলার ৬টি উপজেলার ৭২টি ইউনিয়নের ছোট-বড় বাজারগুলোতে এখন জার্সি ও পতাকার রমরমা ব্যবসা চলছে। এমনকি বাস স্টেশন, রেলওয়ে স্টেশন, অফিস, আদালত এবং স্কুল-কলেজের সামনে অস্থায়ীভাবে ফেরি করে পতাকা বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। দোকানিরা আকাশী-সাদা কিংবা হলুদ-সবুজ রঙের জার্সির পসরা সাজিয়ে বসেছেন। বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সি। এ ছাড়া জার্মানি, পর্তুগাল ও ফ্রান্সের জার্সিরও চাহিদা রয়েছে। ফুটপাতে ১৩০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে জার্সি পাওয়া গেলেও শপিং মলগুলোতে তা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকায়।
নরসিংদী স্টেডিয়াম মার্কেটের রাজিব স্পোর্টসের মালিক রাজিব হাসান জানান, গত ২০ দিন ধরে তিনি জার্সি ও পতাকা বিক্রি করছেন। প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার মালামাল বিক্রি হচ্ছে। খেলা যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি তত বাড়বে বলে তার আশা। ডিসি রোডে ফেরি করে পতাকা বিক্রি করা শান্ত জানান, ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা দামের পতাকা আছে তার কাছে। এখন প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার টাকার পতাকা বিক্রি হচ্ছে। নরসিংদী সরকারি কলেজের সামনে প্রায় দুই দশক ধরে মৌসুমি পতাকা ব্যবসা করা আলতাফ বলেন, আকারভেদে ১৫০ থেকে ৮০০ টাকায় তিনি বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি করছেন। এর পাশাপাশি ১৫০ টাকায় বাংলাদেশের পতাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা জানাতে পিছিয়ে নেই সমর্থকেরাও। বাজি মোড়ের একটি দোকানে জার্সিতে নাম লেখার কাজ করা আমিনুল ইসলাম বলেন, সাধারণ জার্সিতে নাম লেখাতে ১০০ টাকা এবং ‘অফিশিয়াল জার্সিতে’ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সিতেই সবচেয়ে বেশি নাম লেখাচ্ছেন সমর্থকেরা।
আর্জেন্টিনার সমর্থক জাহাঙ্গীর বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার ভক্ত। বিশ্বকাপ উপলক্ষে বড় পতাকা বানিয়ে ছাদে টাঙিয়েছি, নতুন জার্সিও কিনেছি।’ অন্যদিকে বাডুয়ারচর থেকে আসা ব্রাজিল সমর্থক শাকিব বলেন, ‘৬০০ টাকা দিয়ে প্রিয় দলের জার্সি কিনেছি। দাম কিছুটা বেশি হলেও বিশ্বকাপের এই উন্মাদনায় তা মানিয়ে নেওয়া যায়।’
/

আপনার মতামত লিখুন