কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গঙ্গা-নির্ভর এলাকার মানুষ নদী শুকিয়ে যাওয়া, কৃষিকাজে পানির অভাব এবং উর্বর জমিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধির মতো চরম সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন।
তবে সম্প্রতি একনেক (ইসিএনইসি) অনুমোদিত ৩৩,৪৭৪ কোটি টাকার ‘পদ্মা (গঙ্গা) ব্যারেজ প্রকল্প’ এই অঞ্চলের বাসিন্দা, কৃষক এবং পানি ব্যবস্থাপকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আগামী সাত বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত এই মেগা প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ইকো সিস্টেম পুনরুদ্ধার।
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চরঝিকড়ী গ্রামের কাছে প্রস্তাবিত এই ব্যারেজটি নির্মাণের কথা চলছে। স্থানীয় কৃষকদের জন্য নির্ভরযোগ্য পানি সরবরাহের প্রতিশ্রুতিই এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জমির মালিক আইয়ুব কাজী সংবাদকে বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির চেয়ে নদীর পানি ব্যবহার করা চাষাবাদের জন্য অনেক বেশি উপকারী।
তার মতে, স্থানীয় ভূগর্ভস্থ পানিতে প্রচুর আয়রন থাকায় তা কৃষিকাজের জন্য ততটা ভালো নয়। জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক ডিজেল চালিত সেচ পাম্প চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে, যার ফলে কৃষকদের কাছে বিকল্প পানির উৎস ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
সংবাদ প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় বাসিন্দারা পদ্মা ব্যারেজ নিয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, এই ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে শুধু পানি সমস্যার সমাধান ও কৃষি কাজের উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এই অঞ্চলের জীবনমানেও উন্নয়নের পরিবর্তন ঘটবে। স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে আশা করছেন তারা।
তাবে তারা আশঙ্কা করে বলেছেন, ব্যারেজ করতে গিয়ে তারা যতটা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন সে বিষয়ে সরকার যেনো দৃষ্টি রাখেন। আর সেই দৃষ্টি যেনো কোনো একটি বিশেষ গোষ্টির দিকে না হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মিঠা পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব শুধু কৃষিতেই সীমাবদ্ধ নেই। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আক্তার হোসেন সতর্ক করে বলেছেন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে খুলনা অঞ্চলের কিছু অংশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়তে পারে।
উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন সংগঠন জানিয়েছে, টিউবওয়েল থেকে লবণাক্ত পানি বের হওয়ার কারণে সেখানে নিরাপদ পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনেও এই প্রভাব মারাত্মক রূপ নিয়েছে।
পরিবেশবাদীদের মতে, লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে সেখানে সুন্দরী গাছের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডাব্লিওডিবি) কর্মকর্তারা আশা করছেন, শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রেখে প্রধান শাখা নদীগুলোতে প্রবাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই ব্যারেজ বর্তমান পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাবে।
কুষ্টিয়ায় বিডব্লিউডিবি’র নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান জানান, গড়াই, মধুমতী এবং হিষনার মতো গঙ্গার শাখা নদীগুলোতে পানির স্তর বজায় রাখতে এই প্রকল্প সাহায্য করবে। নদীতে পানির স্তর ১০ মিটারের কাছাকাছি রাখা সম্ভব হলে দেশের অন্যতম বৃহৎ সেচ প্রকল্প গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) এর আওতা ৫৫,০০০ হেক্টর থেকে বেড়ে ৯৫,০০০ হেক্টরে উন্নীত করা সম্ভব হবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ধারণা, উন্নত সেচ ব্যবস্থা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্য সম্পদের উন্নয়নের মাধ্যমে ১৯টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ এর সুফল ভোগ করবে। এই অঞ্চলের সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা জিকে (গঙ্গা-কপোতাক্ষ) সেচ প্রকল্পের পাম্প হাউসের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের।
তিনি সংবাদকে বলেন, বর্তমানে পাম্পগুলো চালু রাখতে সর্বনিম্ন ৩.৯ মিটার পানির স্তর প্রয়োজন হয়। পানির স্তর এর নিচে নামলে আমাদের পাম্প বন্ধ রাখতে হয়। ফলে সেচ কার্যক্রম ব্যহত হয়, কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হন। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও পাম্প সচল রাখা সম্ভব হবে।
ব্যাপক উৎসাহের মাঝেও পানি বিশেষজ্ঞরা এই ব্যারেজটিকে সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত সমাধান হিসেবে দেখতে নারাজ। বড় ব্যারেজ নির্মাণের ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিশীলতা, পলি চলাচল এবং পরিবেশগত প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে।
প্রকৌশলী আক্তার হোসেনের মতে, কম্পিউটার মডেল এবং ব্যাপক গবেষণার মাধ্যমে যথাযথ বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে, যাতে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলো যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা যায়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য জসিম উদ্দিন আহমদ গঙ্গার পলির সঙ্গে বয়ে আসা ভারী ধাতু ও অন্যান্য দূষণকারী পদার্থ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই দূষণকারী পদার্থ মানুষ ও নদীর দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে আশঙ্কা করছেন।
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এই পানি অবকাঠামো প্রকল্পটিকে ঘিরে স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা অনেক বেশি । দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের কাছে পদ্মা ব্যারেজ শুধুমাত্র একটি স্থাপনা নয়, বরং এটি পানি নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার, কৃষি বাঁচানো এবং জীবনযাত্রা রক্ষার একটি বড় সুযোগ ।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্পের চূড়ান্ত সাফল্য শুধু এর প্রকৌশলগত উৎকর্ষের ওপরই নির্ভর করবে না, বরং পরিবেশগত ঝুঁকিগুলো আগে থেকে অনুধাবন করে তা কতটা সফলভাবে মোকাবেলা করা হয়, তার ওপরও ব্যাপকভাবে নির্ভর করবে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গঙ্গা-নির্ভর এলাকার মানুষ নদী শুকিয়ে যাওয়া, কৃষিকাজে পানির অভাব এবং উর্বর জমিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধির মতো চরম সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন।
তবে সম্প্রতি একনেক (ইসিএনইসি) অনুমোদিত ৩৩,৪৭৪ কোটি টাকার ‘পদ্মা (গঙ্গা) ব্যারেজ প্রকল্প’ এই অঞ্চলের বাসিন্দা, কৃষক এবং পানি ব্যবস্থাপকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আগামী সাত বছরের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত এই মেগা প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ইকো সিস্টেম পুনরুদ্ধার।
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চরঝিকড়ী গ্রামের কাছে প্রস্তাবিত এই ব্যারেজটি নির্মাণের কথা চলছে। স্থানীয় কৃষকদের জন্য নির্ভরযোগ্য পানি সরবরাহের প্রতিশ্রুতিই এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জমির মালিক আইয়ুব কাজী সংবাদকে বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির চেয়ে নদীর পানি ব্যবহার করা চাষাবাদের জন্য অনেক বেশি উপকারী।
তার মতে, স্থানীয় ভূগর্ভস্থ পানিতে প্রচুর আয়রন থাকায় তা কৃষিকাজের জন্য ততটা ভালো নয়। জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক ডিজেল চালিত সেচ পাম্প চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে, যার ফলে কৃষকদের কাছে বিকল্প পানির উৎস ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
সংবাদ প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় বাসিন্দারা পদ্মা ব্যারেজ নিয়ে উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, এই ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে শুধু পানি সমস্যার সমাধান ও কৃষি কাজের উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এই অঞ্চলের জীবনমানেও উন্নয়নের পরিবর্তন ঘটবে। স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হবে বলে আশা করছেন তারা।
তাবে তারা আশঙ্কা করে বলেছেন, ব্যারেজ করতে গিয়ে তারা যতটা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন সে বিষয়ে সরকার যেনো দৃষ্টি রাখেন। আর সেই দৃষ্টি যেনো কোনো একটি বিশেষ গোষ্টির দিকে না হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মিঠা পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব শুধু কৃষিতেই সীমাবদ্ধ নেই। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আক্তার হোসেন সতর্ক করে বলেছেন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে খুলনা অঞ্চলের কিছু অংশ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়তে পারে।
উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন সংগঠন জানিয়েছে, টিউবওয়েল থেকে লবণাক্ত পানি বের হওয়ার কারণে সেখানে নিরাপদ পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনেও এই প্রভাব মারাত্মক রূপ নিয়েছে।
পরিবেশবাদীদের মতে, লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে সেখানে সুন্দরী গাছের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বিডাব্লিওডিবি) কর্মকর্তারা আশা করছেন, শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রেখে প্রধান শাখা নদীগুলোতে প্রবাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই ব্যারেজ বর্তমান পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাবে।
কুষ্টিয়ায় বিডব্লিউডিবি’র নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান জানান, গড়াই, মধুমতী এবং হিষনার মতো গঙ্গার শাখা নদীগুলোতে পানির স্তর বজায় রাখতে এই প্রকল্প সাহায্য করবে। নদীতে পানির স্তর ১০ মিটারের কাছাকাছি রাখা সম্ভব হলে দেশের অন্যতম বৃহৎ সেচ প্রকল্প গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) এর আওতা ৫৫,০০০ হেক্টর থেকে বেড়ে ৯৫,০০০ হেক্টরে উন্নীত করা সম্ভব হবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের ধারণা, উন্নত সেচ ব্যবস্থা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্য সম্পদের উন্নয়নের মাধ্যমে ১৯টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ এর সুফল ভোগ করবে। এই অঞ্চলের সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা জিকে (গঙ্গা-কপোতাক্ষ) সেচ প্রকল্পের পাম্প হাউসের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের।
তিনি সংবাদকে বলেন, বর্তমানে পাম্পগুলো চালু রাখতে সর্বনিম্ন ৩.৯ মিটার পানির স্তর প্রয়োজন হয়। পানির স্তর এর নিচে নামলে আমাদের পাম্প বন্ধ রাখতে হয়। ফলে সেচ কার্যক্রম ব্যহত হয়, কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হন। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার পর শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও পাম্প সচল রাখা সম্ভব হবে।
ব্যাপক উৎসাহের মাঝেও পানি বিশেষজ্ঞরা এই ব্যারেজটিকে সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত সমাধান হিসেবে দেখতে নারাজ। বড় ব্যারেজ নির্মাণের ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিশীলতা, পলি চলাচল এবং পরিবেশগত প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে।
প্রকৌশলী আক্তার হোসেনের মতে, কম্পিউটার মডেল এবং ব্যাপক গবেষণার মাধ্যমে যথাযথ বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে, যাতে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলো যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা যায়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য জসিম উদ্দিন আহমদ গঙ্গার পলির সঙ্গে বয়ে আসা ভারী ধাতু ও অন্যান্য দূষণকারী পদার্থ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এই দূষণকারী পদার্থ মানুষ ও নদীর দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে আশঙ্কা করছেন।
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এই পানি অবকাঠামো প্রকল্পটিকে ঘিরে স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা অনেক বেশি । দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের কাছে পদ্মা ব্যারেজ শুধুমাত্র একটি স্থাপনা নয়, বরং এটি পানি নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার, কৃষি বাঁচানো এবং জীবনযাত্রা রক্ষার একটি বড় সুযোগ ।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্পের চূড়ান্ত সাফল্য শুধু এর প্রকৌশলগত উৎকর্ষের ওপরই নির্ভর করবে না, বরং পরিবেশগত ঝুঁকিগুলো আগে থেকে অনুধাবন করে তা কতটা সফলভাবে মোকাবেলা করা হয়, তার ওপরও ব্যাপকভাবে নির্ভর করবে।

আপনার মতামত লিখুন