চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি সাম্প্রতিক বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে উঠতে উত্তর আমেরিকায় যাচ্ছে। কারণ গত দুই আসরেই তারা গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল।
২০১৪
সালের ফাইনালে মারাকানায় মারিও গোয়েতজের অতিরিক্ত সময়ের জয়সূচক গোলের পর থেকে ফুটবলের
সবচেয়ে বড় মঞ্চে জার্মানির
সময়টা ছিল খুবই হতাশাজনক।
ট্রফি জয়ের পর থেকে
বিশ্বকাপে জার্মানি মাত্র দু’টি ম্যাচ
জিতেছে, সুইডেন ও পরে কোস্টারিকার
বিপক্ষে।
গ্রুপ
‘ই’-তে জার্মানির সবচেয়ে
বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে আইভরি
কোস্ট। ‘এলিফ্যান্টস’রা ২০১৪ সালের
পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে ফিরছে।
দিদিয়ের দ্রগবা ও ইয়াইয়ার ও
কোলো টুরে ভাতৃদ্বয়য়ের সোনালি
প্রজন্ম এখন অতীত। তবে
এমেরেস ফায়ের বর্তমান দলে এখনও নিকোলা
পেপে, আমাদ দিয়ালো ও
উইলফ্রিড জাহার মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়
রয়েছেন।
গত শীতে আফকন শিরোপা
রক্ষার মিশনে মিশরের কাছে শেষ আটে
হেরে ব্যর্থ হলেও আইভরি কোস্ট
তাদের চতুর্থ বিশ্বকাপে যাচ্ছে সম্ভবত নকআউট পর্বে ওঠার সবচেয়ে ভালো
সুযোগ নিয়ে। ২০০৬ থেকে ২০১৪
পর্যন্ত টানা তিনবার তারা
গ্রুপে তৃতীয় হয়েছিল।
ক্যারিবীয়
দ্বীপদেশ কুরাসাও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলবে।
কনকাকাফ বাছাইপর্বে অপরাজিত থেকে তারা মূল
পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। বিশ্বকাপে
খেলা সবচেয়ে ছোট দেশ হওয়ার
গৌরব অর্জনের পর তাদের গতি
কিছুটা থমকে গেছে। মার্চে
প্রস্তুতি ম্যাচে চীন ও অস্ট্রেলিয়ার
বিপক্ষে টানা দুই হারের
স্বাদ পায় কুরাসাও। এছাড়া
যিনি দলটিকে বিশ্বকাপে তুলেছিলেন সেই অভিজ্ঞ ডাচ
কোচ ডিক অ্যাডভোকেট পারিবারিক
কারণে দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ায় কুরাসাওকে
বিশ্বকাপে খেলতে হবে নতুন কোচ
ফ্রেড রুটেনের অধীনে।
ইকুয়েডর
দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে দ্বিতীয় হয়ে বিশ্বকাপে জায়গা
করে নিয়েছে। বাছাইপর্বের টেবিলে তারা ব্রাজিল, উরুগুয়ে
ও কলম্বিয়ারও ওপরে ছিল। ফলে
৪৮ দলের এই সম্প্রসারিত
বিশ্বকাপে তারা শুধু অংশ
নিতেই আসছে না, বরং
শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই মাঠে নামবে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি সাম্প্রতিক বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে উঠতে উত্তর আমেরিকায় যাচ্ছে। কারণ গত দুই আসরেই তারা গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল।
২০১৪
সালের ফাইনালে মারাকানায় মারিও গোয়েতজের অতিরিক্ত সময়ের জয়সূচক গোলের পর থেকে ফুটবলের
সবচেয়ে বড় মঞ্চে জার্মানির
সময়টা ছিল খুবই হতাশাজনক।
ট্রফি জয়ের পর থেকে
বিশ্বকাপে জার্মানি মাত্র দু’টি ম্যাচ
জিতেছে, সুইডেন ও পরে কোস্টারিকার
বিপক্ষে।
গ্রুপ
‘ই’-তে জার্মানির সবচেয়ে
বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে আইভরি
কোস্ট। ‘এলিফ্যান্টস’রা ২০১৪ সালের
পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে ফিরছে।
দিদিয়ের দ্রগবা ও ইয়াইয়ার ও
কোলো টুরে ভাতৃদ্বয়য়ের সোনালি
প্রজন্ম এখন অতীত। তবে
এমেরেস ফায়ের বর্তমান দলে এখনও নিকোলা
পেপে, আমাদ দিয়ালো ও
উইলফ্রিড জাহার মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়
রয়েছেন।
গত শীতে আফকন শিরোপা
রক্ষার মিশনে মিশরের কাছে শেষ আটে
হেরে ব্যর্থ হলেও আইভরি কোস্ট
তাদের চতুর্থ বিশ্বকাপে যাচ্ছে সম্ভবত নকআউট পর্বে ওঠার সবচেয়ে ভালো
সুযোগ নিয়ে। ২০০৬ থেকে ২০১৪
পর্যন্ত টানা তিনবার তারা
গ্রুপে তৃতীয় হয়েছিল।
ক্যারিবীয়
দ্বীপদেশ কুরাসাও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলবে।
কনকাকাফ বাছাইপর্বে অপরাজিত থেকে তারা মূল
পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। বিশ্বকাপে
খেলা সবচেয়ে ছোট দেশ হওয়ার
গৌরব অর্জনের পর তাদের গতি
কিছুটা থমকে গেছে। মার্চে
প্রস্তুতি ম্যাচে চীন ও অস্ট্রেলিয়ার
বিপক্ষে টানা দুই হারের
স্বাদ পায় কুরাসাও। এছাড়া
যিনি দলটিকে বিশ্বকাপে তুলেছিলেন সেই অভিজ্ঞ ডাচ
কোচ ডিক অ্যাডভোকেট পারিবারিক
কারণে দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ায় কুরাসাওকে
বিশ্বকাপে খেলতে হবে নতুন কোচ
ফ্রেড রুটেনের অধীনে।
ইকুয়েডর
দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে দ্বিতীয় হয়ে বিশ্বকাপে জায়গা
করে নিয়েছে। বাছাইপর্বের টেবিলে তারা ব্রাজিল, উরুগুয়ে
ও কলম্বিয়ারও ওপরে ছিল। ফলে
৪৮ দলের এই সম্প্রসারিত
বিশ্বকাপে তারা শুধু অংশ
নিতেই আসছে না, বরং
শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই মাঠে নামবে।

আপনার মতামত লিখুন