সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বিশ্ব অর্থনীতি ধীরগতিতে পড়বে: বিশ্বব্যাংক


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৮:০০ এএম

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বিশ্ব অর্থনীতি ধীরগতিতে পড়বে: বিশ্বব্যাংক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমিয়ে দেবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক। এর ফলে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি ও ঋণের খরচ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমে ২.৫ শতাংশে নামতে পারে, যা ২০২৫ সালে ছিল ২.৯ শতাংশ। ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ২.৮ শতাংশে পৌঁছালেও তা আগের স্বাভাবিক গড়ের নিচে থাকবে।

বিশ্বব্যাংক আরও জানায়, হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা ও সরবরাহ ব্যাঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে ২০২৬ সালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম গড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৪ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

এছাড়া খাদ্য ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বিশ্বব্যাংকের মতে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমে ১.৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ সৃষ্টি করবে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সংকট মোকাবিলায় তারা ৫০-৬০ বিলিয়ন ডলারের অর্থ সহায়তা প্রস্তুত রেখেছে, যা প্রয়োজন হলে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬


মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বিশ্ব অর্থনীতি ধীরগতিতে পড়বে: বিশ্বব্যাংক

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমিয়ে দেবে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক। এর ফলে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি ও ঋণের খরচ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমে ২.৫ শতাংশে নামতে পারে, যা ২০২৫ সালে ছিল ২.৯ শতাংশ। ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ২.৮ শতাংশে পৌঁছালেও তা আগের স্বাভাবিক গড়ের নিচে থাকবে।

বিশ্বব্যাংক আরও জানায়, হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা ও সরবরাহ ব্যাঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে ২০২৬ সালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম গড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৪ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

এছাড়া খাদ্য ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বিশ্বব্যাংকের মতে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি কমে ১.৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ সৃষ্টি করবে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সংকট মোকাবিলায় তারা ৫০-৬০ বিলিয়ন ডলারের অর্থ সহায়তা প্রস্তুত রেখেছে, যা প্রয়োজন হলে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হতে পারে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত