সংবাদ

স্কুল ফিডিংয়ে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা


প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ
প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ
প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম

স্কুল ফিডিংয়ে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা
সুনামগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভা। ছবিঃ সংবাদ

হাওর ও দুর্গম এলাকার প্রাথমিক শিক্ষা এগিয়ে নিতে সরকার নতুন পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। আজ সোমবার সকালে সুনামগঞ্জে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছে। এটি বাস্তবায়নে শুরুর দিকে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও এখন নিয়মগুলো দাপ্তরিকভাবে আরও কঠোর করা হয়েছে। সপ্তাহে এক দিন শিক্ষার্থীদের কলা দেওয়ার কথা, যদি তা না দেওয়া হয় তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া সপ্তাহে দুই দিন দুধ দেওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে সরবরাহ কম থাকায় দুই সপ্তাহে এক দিন দেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে তা আগের নিয়মে ফিরিয়ে আনা হবে।

খাদ্যপণ্যের মান নিয়ে প্রতিমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত পাঁচটি আইটেমের মধ্যে কোনোটি কম হলে বা মানসম্মত না হলে প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি করতে হবে। প্রতিটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স থাকতে হবে এবং তাদের ফুড টেকনিশিয়ান নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক। তদারকির জন্য শিক্ষা কর্মকর্তা ও মায়েদের নিয়ে গঠিত কমিটি পণ্য গ্রহণ করবে। সরবরাহের কাজে নিয়োজিত চালকেরও লাইসেন্স থাকতে হবে। যেকোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস।


আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬


স্কুল ফিডিংয়ে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

হাওর ও দুর্গম এলাকার প্রাথমিক শিক্ষা এগিয়ে নিতে সরকার নতুন পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। আজ সোমবার সকালে সুনামগঞ্জে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছে। এটি বাস্তবায়নে শুরুর দিকে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও এখন নিয়মগুলো দাপ্তরিকভাবে আরও কঠোর করা হয়েছে। সপ্তাহে এক দিন শিক্ষার্থীদের কলা দেওয়ার কথা, যদি তা না দেওয়া হয় তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া সপ্তাহে দুই দিন দুধ দেওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে সরবরাহ কম থাকায় দুই সপ্তাহে এক দিন দেওয়া হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে তা আগের নিয়মে ফিরিয়ে আনা হবে।

খাদ্যপণ্যের মান নিয়ে প্রতিমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত পাঁচটি আইটেমের মধ্যে কোনোটি কম হলে বা মানসম্মত না হলে প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি করতে হবে। প্রতিটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স থাকতে হবে এবং তাদের ফুড টেকনিশিয়ান নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক। তদারকির জন্য শিক্ষা কর্মকর্তা ও মায়েদের নিয়ে গঠিত কমিটি পণ্য গ্রহণ করবে। সরবরাহের কাজে নিয়োজিত চালকেরও লাইসেন্স থাকতে হবে। যেকোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহন লাল দাস।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত