যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহ ধরে চলা পাল্টাপাল্টি হামলা গত সপ্তাহে সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমেছে। দুই দেশের এই সংঘর্ষ বিরতির ফলে কূটনৈতিক সমাধানের আশা জেগেছে, যা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে সহায়তা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড তেলের দাম ৪ ডলার ৮০ সেন্ট বা প্রায় ৫ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৪ ডলার ৫১ সেন্টে নেমেছে। গত তিন সপ্তাহ ধরে দাম বাড়ার পর এটিই এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন দর। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির সুযোগ দিতে আপাতত হামলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই ঘোষণার পরই তেলের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বর্তমানে দৈনিক ১০টিরও কম পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে জাহাজ চলাচল বাড়বে, তবে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা এখনই বড় কোনো ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না।
এদিকে লোহিত সাগরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় বাজারে অস্থিরতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। সোসিয়েট জেনারেলের বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরে সমস্যার সমাধান না হলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি অন্তত ১০ ডলার বেশি থাকতে পারে। অন্যদিকে, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবও তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা জিইয়ে রেখেছে। গত সপ্তাহান্তে ইউক্রেন রাশিয়ার বেশ কিছু তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র : রয়টার্স
\

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহ ধরে চলা পাল্টাপাল্টি হামলা গত সপ্তাহে সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমেছে। দুই দেশের এই সংঘর্ষ বিরতির ফলে কূটনৈতিক সমাধানের আশা জেগেছে, যা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে সহায়তা করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড তেলের দাম ৪ ডলার ৮০ সেন্ট বা প্রায় ৫ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৪ ডলার ৫১ সেন্টে নেমেছে। গত তিন সপ্তাহ ধরে দাম বাড়ার পর এটিই এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন দর। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ ফক্স নিউজকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনীতির সুযোগ দিতে আপাতত হামলা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই ঘোষণার পরই তেলের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বর্তমানে দৈনিক ১০টিরও কম পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে জাহাজ চলাচল বাড়বে, তবে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা এখনই বড় কোনো ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না।
এদিকে লোহিত সাগরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় বাজারে অস্থিরতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। সোসিয়েট জেনারেলের বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরে সমস্যার সমাধান না হলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি অন্তত ১০ ডলার বেশি থাকতে পারে। অন্যদিকে, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবও তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা জিইয়ে রেখেছে। গত সপ্তাহান্তে ইউক্রেন রাশিয়ার বেশ কিছু তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র : রয়টার্স
\

আপনার মতামত লিখুন