বাগেরহাটের মোংলায় কোস্ট গার্ডের একটি ভাসমান স্টেশনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কোস্ট গার্ড। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতভর ওই এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে স্থানীয় এক বিএনপিনেতাসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ ও কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনিরঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ডের ভাসমান স্টেশন ‘হাড়বাড়িয়া’তে এ হামলার ঘটনা ঘটে। কোস্ট গার্ডের দাবি, সুন্দরবনের বনদস্যু, চোরাকারবারি ও বিষ দিয়ে মাছ শিকারিদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় কোস্ট গার্ডের ৩ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিযুক্তদের স্বজনদের দাবি ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, মিরাজ শেখ নামের এক স্থানীয় যুবক বেশ কিছু দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তার সন্ধান চাইতে স্বজন ও এলাকাবাসী স্টেশনে গেলে কোস্ট গার্ড সদস্যদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে লাঠিচার্জ করা হলে উত্তেজিত গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, বনদস্যু দমন ও কোস্ট গার্ডের চলমান অভিযানকে নস্যাৎ করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় ৪৪ জনকে চিহ্নিত করে মোংলা থানায় মামলা করা হয়েছে।
যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- চিলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সুলতান শেখ, মুক্তা বেগম, লিজা ইসলাম, তাসলিমা বেগম, মহারাজ খান ও মো. শাহজালাল ফরাজী। শুক্রবার (১২ জুন) তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে অন্য অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং গ্রেপ্তার এড়াতে অনেক পুরুষ এলাকা ছেড়েছেন।
/

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
বাগেরহাটের মোংলায় কোস্ট গার্ডের একটি ভাসমান স্টেশনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কোস্ট গার্ড। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতভর ওই এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে স্থানীয় এক বিএনপিনেতাসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ ও কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনিরঘোল এলাকায় কোস্ট গার্ডের ভাসমান স্টেশন ‘হাড়বাড়িয়া’তে এ হামলার ঘটনা ঘটে। কোস্ট গার্ডের দাবি, সুন্দরবনের বনদস্যু, চোরাকারবারি ও বিষ দিয়ে মাছ শিকারিদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় কোস্ট গার্ডের ৩ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিযুক্তদের স্বজনদের দাবি ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, মিরাজ শেখ নামের এক স্থানীয় যুবক বেশ কিছু দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তার সন্ধান চাইতে স্বজন ও এলাকাবাসী স্টেশনে গেলে কোস্ট গার্ড সদস্যদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে লাঠিচার্জ করা হলে উত্তেজিত গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, বনদস্যু দমন ও কোস্ট গার্ডের চলমান অভিযানকে নস্যাৎ করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় ৪৪ জনকে চিহ্নিত করে মোংলা থানায় মামলা করা হয়েছে।
যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- চিলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সুলতান শেখ, মুক্তা বেগম, লিজা ইসলাম, তাসলিমা বেগম, মহারাজ খান ও মো. শাহজালাল ফরাজী। শুক্রবার (১২ জুন) তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে অন্য অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং গ্রেপ্তার এড়াতে অনেক পুরুষ এলাকা ছেড়েছেন।
/

আপনার মতামত লিখুন