বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও ওষুধের মাধ্যমে ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানায় দায়েরকৃত এক নারীর মামলায় আলোচিত বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান মিয়া প্রধানকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাকে কেউ অপহরণ করেনি, মারধরও করা হয়নি। ঐ নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জের ধরে তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
গ্রেপ্তার জিসান দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গোয়ালী গ্রামের মো. সফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি।
এদিকে প্রাথমিকভাবে প্রেমের সম্পর্ক প্রমাণিত হওয়ায় দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানান দলের প্রচার সম্পাদক। এছাড়া দুপুরে বিষয়টির খোঁজ নিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। পরে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, গত ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান মিয়া প্রধান নিখোঁজ হয়েছেন উল্লেখ করে পরদিন ১২ জুন দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অপহরণের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই জিসানকে উদ্ধারে জেলা পুলিশের একাধিক দল মাঠে নামে।
তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, প্রায় ৫-৬ মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে দাউদকান্দি এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২০ মে দাউদকান্দি এলাকায় জিসানের ভাড়া বাসায় ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে জিসান তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে জিসান তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দিতে থাকেন। এমনকি গর্ভপাত না করলে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এসময় প্রাণনাশের আশঙ্কায় তরুণী গর্ভপাত করাতে রাজি হন। এরপর জিসান গর্ভপাতের ওষুধ সংগ্রহ করে তরুণীকে খাওয়ান। পরবর্তীতে গর্ভপাত হলে তরুণী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন।
পুলিশ সুপার আরো জানান, তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, বিয়ের বিষয়ে চাপের মুখে পড়ে জিসান ১২ জুন বিয়েতে সম্মতি জানান। তবে বিয়ে এড়ানোর উদ্দেশ্যে ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার পর তিনি নিজেই আত্মগোপনে চলে যান এবং পরবর্তীতে নিজের নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজিয়ে স্বজনদের মাধ্যমে থানায় জিডি করান।
একপর্যায়ে লাকসাম থানা এলাকার স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহযোগিতায় শুক্রবার রাতে আত্মগোপনে থাকা জিসানকে লাকসাম থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে লাকসাম জেনারেল হাসপাতাল ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জিসানকে উদ্ধারের খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ওই তরুণী থানায় উপস্থিত হয়ে জিসানকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা এবং ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে দাউদকান্দি মডেল থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
জিসান বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। পুলিশ সুপার আরও বলেন, নিখোঁজ ছাত্রশিবির নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ কিংবা মারধর করেনি- ডাক্তারি পরীক্ষায় তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঐ নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জের ধরে তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।
এর আগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও ওষুধের মাধ্যমে ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শুক্রবার গভীর রাতে (১৩ জুন) দাউদকান্দি থানায় ছাত্রশিবিরের নেতা জিসানকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই বিধবা নারী (২৫)। মামলার অপর আসামিরা হলেন- সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) ও সজিব হাসান (২১)। তাদের সকলের বাড়ি দাউদকান্দিতে।
এদিকে কেন্দ্রীয় শিবির নেতা নিখোঁজের পর উদ্ধার ও ধর্ষণের মামলার আসামি হওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি খোঁজ নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ইসলাম ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে সংগঠনের শীর্ষ নেতারা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। এসময় গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, কেউ অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত হলে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর জিসান মিয়া প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ।
শনিবার দুপুর ২টার দিকে এসএম ফরহাদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় এখন পর্যন্ত আমরা নিখোঁজ ঘটনার প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হইনি।
তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরণের অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে সকল প্রকার আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও ওষুধের মাধ্যমে ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানায় দায়েরকৃত এক নারীর মামলায় আলোচিত বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান মিয়া প্রধানকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাকে কেউ অপহরণ করেনি, মারধরও করা হয়নি। ঐ নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জের ধরে তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।
গ্রেপ্তার জিসান দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গোয়ালী গ্রামের মো. সফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি।
এদিকে প্রাথমিকভাবে প্রেমের সম্পর্ক প্রমাণিত হওয়ায় দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানান দলের প্রচার সম্পাদক। এছাড়া দুপুরে বিষয়টির খোঁজ নিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতারা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। পরে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, গত ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে দাউদকান্দি বাজার এলাকা থেকে জিসান মিয়া প্রধান নিখোঁজ হয়েছেন উল্লেখ করে পরদিন ১২ জুন দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অপহরণের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই জিসানকে উদ্ধারে জেলা পুলিশের একাধিক দল মাঠে নামে।
তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, প্রায় ৫-৬ মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে দাউদকান্দি এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২০ মে দাউদকান্দি এলাকায় জিসানের ভাড়া বাসায় ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরে বিভিন্ন সময়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে জিসান তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে জিসান তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দিতে থাকেন। এমনকি গর্ভপাত না করলে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এসময় প্রাণনাশের আশঙ্কায় তরুণী গর্ভপাত করাতে রাজি হন। এরপর জিসান গর্ভপাতের ওষুধ সংগ্রহ করে তরুণীকে খাওয়ান। পরবর্তীতে গর্ভপাত হলে তরুণী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন।
পুলিশ সুপার আরো জানান, তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, বিয়ের বিষয়ে চাপের মুখে পড়ে জিসান ১২ জুন বিয়েতে সম্মতি জানান। তবে বিয়ে এড়ানোর উদ্দেশ্যে ১১ জুন রাত সাড়ে ৮টার পর তিনি নিজেই আত্মগোপনে চলে যান এবং পরবর্তীতে নিজের নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজিয়ে স্বজনদের মাধ্যমে থানায় জিডি করান।
একপর্যায়ে লাকসাম থানা এলাকার স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহযোগিতায় শুক্রবার রাতে আত্মগোপনে থাকা জিসানকে লাকসাম থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে লাকসাম জেনারেল হাসপাতাল ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জিসানকে উদ্ধারের খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ওই তরুণী থানায় উপস্থিত হয়ে জিসানকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা এবং ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে দাউদকান্দি মডেল থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
জিসান বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। পুলিশ সুপার আরও বলেন, নিখোঁজ ছাত্রশিবির নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ কিংবা মারধর করেনি- ডাক্তারি পরীক্ষায় তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঐ নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জের ধরে তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।
এর আগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও ওষুধের মাধ্যমে ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শুক্রবার গভীর রাতে (১৩ জুন) দাউদকান্দি থানায় ছাত্রশিবিরের নেতা জিসানকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ওই বিধবা নারী (২৫)। মামলার অপর আসামিরা হলেন- সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) ও সজিব হাসান (২১)। তাদের সকলের বাড়ি দাউদকান্দিতে।
এদিকে কেন্দ্রীয় শিবির নেতা নিখোঁজের পর উদ্ধার ও ধর্ষণের মামলার আসামি হওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি খোঁজ নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ইসলাম ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে সংগঠনের শীর্ষ নেতারা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। এসময় গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, কেউ অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত হলে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর জিসান মিয়া প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক এসএম ফরহাদ।
শনিবার দুপুর ২টার দিকে এসএম ফরহাদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় এখন পর্যন্ত আমরা নিখোঁজ ঘটনার প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হইনি।
তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরণের অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে সকল প্রকার আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন