ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩টি বসতঘর ও ৩টি গরুসহ সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (১৩ জুন) সকালে উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের বড়ইউড়ি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে নিঃস্ব হয়ে পড়া পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে বড়ইউড়ি গ্রামের সঞ্জয় দেবনাথের বাড়িতে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের বাড়ির আরাধন দেবনাথ ও রাজেন্দ্র দেবনাথের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তার আগেই ঘরগুলো ভস্মীভূত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, আগুনে ঘরে থাকা তিনটি গরু, ধান-চাল, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র ও নগদ টাকাসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। দীর্ঘদিনের সঞ্চয় হারিয়ে পরিবারগুলো এখন পুরোপুরি নিঃস্ব। ক্ষতিগ্রস্ত এক সদস্য বলেন, "আগুনে আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।" তারা সরকার ও বিত্তবানদের কাছে জরুরি সহায়তা প্রার্থনা করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
/

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩টি বসতঘর ও ৩টি গরুসহ সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (১৩ জুন) সকালে উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের বড়ইউড়ি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে নিঃস্ব হয়ে পড়া পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে বড়ইউড়ি গ্রামের সঞ্জয় দেবনাথের বাড়িতে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের বাড়ির আরাধন দেবনাথ ও রাজেন্দ্র দেবনাথের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তার আগেই ঘরগুলো ভস্মীভূত হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, আগুনে ঘরে থাকা তিনটি গরু, ধান-চাল, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র ও নগদ টাকাসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। দীর্ঘদিনের সঞ্চয় হারিয়ে পরিবারগুলো এখন পুরোপুরি নিঃস্ব। ক্ষতিগ্রস্ত এক সদস্য বলেন, "আগুনে আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।" তারা সরকার ও বিত্তবানদের কাছে জরুরি সহায়তা প্রার্থনা করেছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
/

আপনার মতামত লিখুন