পিরোজপুরের নেছারাবাদের মিয়ারহাট বাজারে সরকারি খাস জমিতে একটি সেমি পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অনুমোদন পাওয়ার আগেই ভবন নির্মাণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভবন নির্মাণের জন্য বৃহস্পতিবার (১২ জুন) আবেদন করেন ওই ব্যবসায়ী। অনুমোদন পাওয়ার আগে শুক্রবার ও শনিবারকে সামনে রেখে দিন-রাত কাজ চালিয়ে ইতোমধ্যে অধিকাংশ কাজ শেষ করা হয়েছে।
সরকারি খাস জমিতে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক হওয়ায় অনুমতি পাওয়ার আগে কাজ শুরু করার ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী তহসিলদার সনাউলকে প্রভাবিত করে দ্রুত কাজ শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী তহসিলদার সনাউল বলেন, “বৃহস্পতিবার একটি আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। সেটি রোববার জেলায় পাঠানো হবে। অনুমতি ছাড়া ভবন নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। আমি তাদের কাজ না করার জন্য নিষেধ করেছি।”
শনিবার (১৩ জুন) সরেজমিনে মিয়ারহাট বাজারে গিয়ে ভবন নির্মাণকাজ চলমান থাকার সত্যতা পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী নিবির বলেন, “কয়েকদিন আগে আমার দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। ভবন নির্মাণের জন্য বৃহস্পতিবার আবেদন করেছি।”
অনুমোদন পাওয়ার আগেই নির্মাণকাজ শুরু করা বিষয়ে কোনো জবাব দেননি।বক্তব্য দিতেও অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মাহমুদ বলেন, “সরকারি খাস জমিতে সাধারণ বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাকা ভবন বা স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। আমি সরেজমিনে বিষয়টি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদের মিয়ারহাট বাজারে সরকারি খাস জমিতে একটি সেমি পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অনুমোদন পাওয়ার আগেই ভবন নির্মাণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভবন নির্মাণের জন্য বৃহস্পতিবার (১২ জুন) আবেদন করেন ওই ব্যবসায়ী। অনুমোদন পাওয়ার আগে শুক্রবার ও শনিবারকে সামনে রেখে দিন-রাত কাজ চালিয়ে ইতোমধ্যে অধিকাংশ কাজ শেষ করা হয়েছে।
সরকারি খাস জমিতে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক হওয়ায় অনুমতি পাওয়ার আগে কাজ শুরু করার ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সহকারী তহসিলদার সনাউলকে প্রভাবিত করে দ্রুত কাজ শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সহকারী তহসিলদার সনাউল বলেন, “বৃহস্পতিবার একটি আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। সেটি রোববার জেলায় পাঠানো হবে। অনুমতি ছাড়া ভবন নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। আমি তাদের কাজ না করার জন্য নিষেধ করেছি।”
শনিবার (১৩ জুন) সরেজমিনে মিয়ারহাট বাজারে গিয়ে ভবন নির্মাণকাজ চলমান থাকার সত্যতা পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী নিবির বলেন, “কয়েকদিন আগে আমার দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। ভবন নির্মাণের জন্য বৃহস্পতিবার আবেদন করেছি।”
অনুমোদন পাওয়ার আগেই নির্মাণকাজ শুরু করা বিষয়ে কোনো জবাব দেননি।বক্তব্য দিতেও অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মাহমুদ বলেন, “সরকারি খাস জমিতে সাধারণ বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাকা ভবন বা স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। আমি সরেজমিনে বিষয়টি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

আপনার মতামত লিখুন