সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি এখন থেকে স্থানীয় প্রশাসন করবে। দীর্ঘদিনের বদলি ঘিরে তৈরি হওয়া ‘সিন্ডিকেট’ ও দুর্নীতি বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের বদলি ঘিরে বিগত দিনে বড় একটা সিন্ডিকেট বা দুর্নীতির জায়গা তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এটাতে নজর দিয়েছেন।’
তিনি জানান, প্রাথমিক শিক্ষক বদলি স্থানীয়করণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষকরা এসব কমিটির কাছে বদলির আবেদন জমা দেবেন। কমিটি মাসে একবার সভা করে বদলি অনুমোদন দেবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও’র নেতৃত্বে চার সদস্যের কমিটি হবে। যেখানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা থাকবেন। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা করে দুর্নীতির সব জায়গাগুলোকে আমরা বন্ধ করে দিতে চাই।’
আগে শিক্ষক বদলির জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক ছিল। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আবেদন চাওয়া হতো। অনলাইনে আবেদনের পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা যাচাই করে ফরোয়ার্ড করতেন। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে তা অধিদপ্তরে আসতো। অধিদপ্তর চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে বদলি অনুমোদিত হতো।
নতুন পদ্ধতিতে পুরো প্রক্রিয়াটি স্থানীয় পর্যায়ে সরিয়ে আনা হয়েছে।
‘ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন দ্য বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ)’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এতে শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি এখন থেকে স্থানীয় প্রশাসন করবে। দীর্ঘদিনের বদলি ঘিরে তৈরি হওয়া ‘সিন্ডিকেট’ ও দুর্নীতি বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের বদলি ঘিরে বিগত দিনে বড় একটা সিন্ডিকেট বা দুর্নীতির জায়গা তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এটাতে নজর দিয়েছেন।’
তিনি জানান, প্রাথমিক শিক্ষক বদলি স্থানীয়করণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষকরা এসব কমিটির কাছে বদলির আবেদন জমা দেবেন। কমিটি মাসে একবার সভা করে বদলি অনুমোদন দেবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও’র নেতৃত্বে চার সদস্যের কমিটি হবে। যেখানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা থাকবেন। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়েও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা করে দুর্নীতির সব জায়গাগুলোকে আমরা বন্ধ করে দিতে চাই।’
আগে শিক্ষক বদলির জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক ছিল। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আবেদন চাওয়া হতো। অনলাইনে আবেদনের পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা যাচাই করে ফরোয়ার্ড করতেন। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে তা অধিদপ্তরে আসতো। অধিদপ্তর চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে বদলি অনুমোদিত হতো।
নতুন পদ্ধতিতে পুরো প্রক্রিয়াটি স্থানীয় পর্যায়ে সরিয়ে আনা হয়েছে।
‘ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন দ্য বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ)’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এতে শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন