২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নারীশিক্ষায় এক যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়েছে সরকার। মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাবিস্তারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে। প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত সহায়ক প্রযুক্তি ও শিক্ষাসামগ্রী দেওয়া হবে।
তিনি জানান, মেয়েদের শিক্ষার পথে থাকা বাধাগুলো দূর করতে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত তাদের বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালুর কথা জানান অর্থমন্ত্রী। এই কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের জন্য স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সুবিধা জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি।
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণের কথাও বলেন অর্থমন্ত্রী।
শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগ শক্তিশালী করা, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ ও ইন্টার্নশিপ সুবিধা বৃদ্ধি এবং স্টার্ট-আপ কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নারীশিক্ষায় এক যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়েছে সরকার। মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাবিস্তারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে। প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত সহায়ক প্রযুক্তি ও শিক্ষাসামগ্রী দেওয়া হবে।
তিনি জানান, মেয়েদের শিক্ষার পথে থাকা বাধাগুলো দূর করতে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত তাদের বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালুর কথা জানান অর্থমন্ত্রী। এই কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের জন্য স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সুবিধা জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি।
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণের কথাও বলেন অর্থমন্ত্রী।
শিল্প-একাডেমিয়া সংযোগ শক্তিশালী করা, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ ও ইন্টার্নশিপ সুবিধা বৃদ্ধি এবং স্টার্ট-আপ কার্যক্রমের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন