মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। মানবদেহ ও প্রাণিসম্পদ-উভয়ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর হোটেল সারিনায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মাল্টি-পার্টনার ট্রাস্ট ফান্ডের সহযোগিতায় আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। একইভাবে প্রাণিসম্পদ খাতেও এর অপব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।’
প্রান্তিক খামারিদের অনেকেই তাৎক্ষণিক রোগ নিরাময়ের আশায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন। তারা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন নন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘কোনো ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের কঠোর তদারকি ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।’
বরিশালের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যদি আমরা ভেটেরিনারি চিকিৎসক, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং খামারিদের একসঙ্গে কাজ করতে পারি, তাহলে বরিশালের মতো সাফল্য দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও অর্জন সম্ভব হবে।’
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার জাতীয় এএমআর পরামর্শক ড. মো. হাবিবুর রহমান। কর্মশালায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর), ওয়ান হেলথ এবং দায়িত্বশীল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। মানবদেহ ও প্রাণিসম্পদ-উভয়ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর হোটেল সারিনায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মাল্টি-পার্টনার ট্রাস্ট ফান্ডের সহযোগিতায় আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি। একইভাবে প্রাণিসম্পদ খাতেও এর অপব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।’
প্রান্তিক খামারিদের অনেকেই তাৎক্ষণিক রোগ নিরাময়ের আশায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন। তারা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন নন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘কোনো ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের কঠোর তদারকি ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।’
বরিশালের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যদি আমরা ভেটেরিনারি চিকিৎসক, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং খামারিদের একসঙ্গে কাজ করতে পারি, তাহলে বরিশালের মতো সাফল্য দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও অর্জন সম্ভব হবে।’
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার জাতীয় এএমআর পরামর্শক ড. মো. হাবিবুর রহমান। কর্মশালায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর), ওয়ান হেলথ এবং দায়িত্বশীল অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন