ভোরের কুয়াশা কাটতে না কাটতেই মোটরসাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়েন মফিজ উদ্দিন। গন্তব্য ঝিনাইদহ সদরের হলিধানী ব্লকের কোনো এক ফসলের মাঠ। সেখানে অপেক্ষায় থাকেন রোগাক্রান্ত ফসলের চিন্তায় ব্যাকুল কৃষকেরা। মফিজ উদ্দিনের ডান হাতটি নেই, ২০০৯ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় সেটি হারিয়েছেন। তবে শারীরিক এই সীমাবদ্ধতা তার দায়িত্ব পালনে কখনো বাধা হতে পারেনি। বরং অদম্য মনোবল নিয়ে তিনি আজ হাজারো কৃষকের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালিচরণপুর ইউনিয়নের ছোট মান্দারবাড়িয়া গ্রামের মৃত আফসার উদ্দিন জোয়ার্দারের ছেলে মফিজ উদ্দিন। সাত ভাই ও দুই বোনের বড় সংসারে বেড়ে ওঠা মফিজের জীবন বদলে যায় ২০০৯ সালের ১১ জানুয়ারি। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় ট্রাকচাপায় তার ডান হাতটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে ২০১৩ সালে তিনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি নিজ জেলা ঝিনাইদহে কর্মরত।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
ভোরের কুয়াশা কাটতে না কাটতেই মোটরসাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়েন মফিজ উদ্দিন। গন্তব্য ঝিনাইদহ সদরের হলিধানী ব্লকের কোনো এক ফসলের মাঠ। সেখানে অপেক্ষায় থাকেন রোগাক্রান্ত ফসলের চিন্তায় ব্যাকুল কৃষকেরা। মফিজ উদ্দিনের ডান হাতটি নেই, ২০০৯ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় সেটি হারিয়েছেন। তবে শারীরিক এই সীমাবদ্ধতা তার দায়িত্ব পালনে কখনো বাধা হতে পারেনি। বরং অদম্য মনোবল নিয়ে তিনি আজ হাজারো কৃষকের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালিচরণপুর ইউনিয়নের ছোট মান্দারবাড়িয়া গ্রামের মৃত আফসার উদ্দিন জোয়ার্দারের ছেলে মফিজ উদ্দিন। সাত ভাই ও দুই বোনের বড় সংসারে বেড়ে ওঠা মফিজের জীবন বদলে যায় ২০০৯ সালের ১১ জানুয়ারি। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় ট্রাকচাপায় তার ডান হাতটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে ২০১৩ সালে তিনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি নিজ জেলা ঝিনাইদহে কর্মরত।

আপনার মতামত লিখুন