এক সময় ফুটবল বিশ্বকাপে প্রায় প্রত্যেক ফুটবলারের পায়েই দেখা যেত কালো রঙের বুট। রেফারির পায়েও থাকতো একই রঙের জুতো। কালের নিয়মে রঙে বদল এসেছে। হলুদ, সবুজ, এমনকি নিজের পছন্দমতো রঙের বুটও বানাতে দেখা গিয়েছে বিভিন্ন ফুটবলারকে।
এ বারের বিশ্বকাপে দেখা যাচ্ছে
গোলাপি রঙের জুতোর আধিক্য। মাত্র কয়েকটি ম্যাচ হলেও ফুটবলারদের পায়ের বুটের এই অভিনব
রং অনেকেরই নজর কেড়েছে। কেন এ বার গোলাপি রঙের বু এত বেশি সংখ্যায় দেখা যাচ্ছে?
ইংল্যান্ডের এক দ্রুত প্রস্তুতকারী
সংস্থার মালিক বলেছেন, ‘লোকে হয়তো একে কাকতালীয় বলবে। কিন্তু অতীতে এই ঘটনা অনেক বার
ঘটেছে। বিভিন্ন সংস্থা প্রায় একই ধরনের রঙের বুট বানাচ্ছে। গত কয়েক বছরে এই জিনিস আমরা
বার বার দেখেছি। এ বারও তার ব্যতিক্রম নয়।’
গোলাপি রং বেছে নেয়ার কারণ কী?
যুক্তরাষ্ট্রর এক ফুটবল সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থার শীর্ষকর্তা ‘দ্য অ্যাথলেটিক’কে
বলেছেন, ‘ইদানিং ক্রীড়াবিদ এবং গ্রাহকদের থেকে আমরা একটাই জিনিস বার বার শুনতে পাচ্ছি।
তারা উজ্জ্বল রং চাইছেন। কারণ, উজ্জ্বল রঙে আলাদা আত্মবিশ্বাস থাকে। সেখান থেকেই নতুন
ভাবনা শুরু। আমরা বেশ কিছু উজ্জ্বল রং নিয়ে আলোচনা করেছি, যা আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। গোলাপি
হল তেমনই একটা রং।’
‘ক্রীড়াবিদেরা বলেছে, গোলাপি
এমন একটা রং যেটা উজ্জ্বল তো দেখায় বটেই, মাঠের মধ্যে আলাদা করে নজরও কেড়ে নেয়। তাছাড়া,
গোলাপি রঙের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে প্রায় সব ধরনের ফুটবলারদের মধ্যে। সেই কারণেই এই রং
বেছে নেয়া হয়েছে।’
তিনি আর জানিয়েছেন, তার সংস্থা
গোলাপি রঙের জুতো অতীতে বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করেছে। তার কথায়, ‘সবুজ ঘাসের মধ্যে
গোলাপি জুতো একটা আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। আপনি মাঠে খেলা দেখুন বা টিভিতে, গোলাপি
রঙের জুতো আপনার নজর কাড়বেই। আমরা ঠিক এই জিনিসটাই চেয়েছিলাম। বিশ্বকাপ ছাড়া গোলাপি
জুতো ব্যবহার শুরু করার ভালো মঞ্চ আর হয় না।’
আরও একটি কারণ রয়েছে। এ বারের
বিশ্বকাপে কোনো দলেরই জার্সির রং গোলাপি নয়। বেলজিয়ামের অ্যাওয়ে জার্সি কিছুটা কাছাকাছি
আসতে পারে। তবে বুটের রঙের মতো একই জার্সি কোনো দলের নেই। এই কারণেই ফুটবলারেরা আরও
বেশি করে গোলাপি বুট পরছেন।
ওই কর্তার দাবি, ‘আমাদের উদ্দেশ্য
ছিল এমন রঙের বুট তৈরি করা, যা জার্সির রঙের সঙ্গে মিশে না যায়। প্রতিটা প্রতিযোগিতাতেই
আমরা আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করি। এই প্রতিযোগিতায় গোলাপি রংকে জনপ্রিয় করতে চেয়েছি।’
তবে ব্যাতিক্রমও রয়েছে। আর্জেন্টিনার
খেলোয়াড়দের বুট যে সংস্থা তৈরি করেছে, তাতে আর্জেন্টিনার পতাকার রঙের ছাপ থাকছে। যুক্তরাষ্ট্রর
ফুটবলারেরা সে দেশের পতাকার রং থাকা জুতো ব্যবহার করছেন। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর জন্য
আলাদা একটি জুতো তৈরি করেছে মার্র্কিন সংস্থা। বিশ্বকাপের ম্যাচে তাকে সেই বুট পরে
খেলতে দেখা যাবে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
এক সময় ফুটবল বিশ্বকাপে প্রায় প্রত্যেক ফুটবলারের পায়েই দেখা যেত কালো রঙের বুট। রেফারির পায়েও থাকতো একই রঙের জুতো। কালের নিয়মে রঙে বদল এসেছে। হলুদ, সবুজ, এমনকি নিজের পছন্দমতো রঙের বুটও বানাতে দেখা গিয়েছে বিভিন্ন ফুটবলারকে।
এ বারের বিশ্বকাপে দেখা যাচ্ছে
গোলাপি রঙের জুতোর আধিক্য। মাত্র কয়েকটি ম্যাচ হলেও ফুটবলারদের পায়ের বুটের এই অভিনব
রং অনেকেরই নজর কেড়েছে। কেন এ বার গোলাপি রঙের বু এত বেশি সংখ্যায় দেখা যাচ্ছে?
ইংল্যান্ডের এক দ্রুত প্রস্তুতকারী
সংস্থার মালিক বলেছেন, ‘লোকে হয়তো একে কাকতালীয় বলবে। কিন্তু অতীতে এই ঘটনা অনেক বার
ঘটেছে। বিভিন্ন সংস্থা প্রায় একই ধরনের রঙের বুট বানাচ্ছে। গত কয়েক বছরে এই জিনিস আমরা
বার বার দেখেছি। এ বারও তার ব্যতিক্রম নয়।’
গোলাপি রং বেছে নেয়ার কারণ কী?
যুক্তরাষ্ট্রর এক ফুটবল সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থার শীর্ষকর্তা ‘দ্য অ্যাথলেটিক’কে
বলেছেন, ‘ইদানিং ক্রীড়াবিদ এবং গ্রাহকদের থেকে আমরা একটাই জিনিস বার বার শুনতে পাচ্ছি।
তারা উজ্জ্বল রং চাইছেন। কারণ, উজ্জ্বল রঙে আলাদা আত্মবিশ্বাস থাকে। সেখান থেকেই নতুন
ভাবনা শুরু। আমরা বেশ কিছু উজ্জ্বল রং নিয়ে আলোচনা করেছি, যা আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। গোলাপি
হল তেমনই একটা রং।’
‘ক্রীড়াবিদেরা বলেছে, গোলাপি
এমন একটা রং যেটা উজ্জ্বল তো দেখায় বটেই, মাঠের মধ্যে আলাদা করে নজরও কেড়ে নেয়। তাছাড়া,
গোলাপি রঙের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে প্রায় সব ধরনের ফুটবলারদের মধ্যে। সেই কারণেই এই রং
বেছে নেয়া হয়েছে।’
তিনি আর জানিয়েছেন, তার সংস্থা
গোলাপি রঙের জুতো অতীতে বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করেছে। তার কথায়, ‘সবুজ ঘাসের মধ্যে
গোলাপি জুতো একটা আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। আপনি মাঠে খেলা দেখুন বা টিভিতে, গোলাপি
রঙের জুতো আপনার নজর কাড়বেই। আমরা ঠিক এই জিনিসটাই চেয়েছিলাম। বিশ্বকাপ ছাড়া গোলাপি
জুতো ব্যবহার শুরু করার ভালো মঞ্চ আর হয় না।’
আরও একটি কারণ রয়েছে। এ বারের
বিশ্বকাপে কোনো দলেরই জার্সির রং গোলাপি নয়। বেলজিয়ামের অ্যাওয়ে জার্সি কিছুটা কাছাকাছি
আসতে পারে। তবে বুটের রঙের মতো একই জার্সি কোনো দলের নেই। এই কারণেই ফুটবলারেরা আরও
বেশি করে গোলাপি বুট পরছেন।
ওই কর্তার দাবি, ‘আমাদের উদ্দেশ্য
ছিল এমন রঙের বুট তৈরি করা, যা জার্সির রঙের সঙ্গে মিশে না যায়। প্রতিটা প্রতিযোগিতাতেই
আমরা আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করি। এই প্রতিযোগিতায় গোলাপি রংকে জনপ্রিয় করতে চেয়েছি।’
তবে ব্যাতিক্রমও রয়েছে। আর্জেন্টিনার
খেলোয়াড়দের বুট যে সংস্থা তৈরি করেছে, তাতে আর্জেন্টিনার পতাকার রঙের ছাপ থাকছে। যুক্তরাষ্ট্রর
ফুটবলারেরা সে দেশের পতাকার রং থাকা জুতো ব্যবহার করছেন। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর জন্য
আলাদা একটি জুতো তৈরি করেছে মার্র্কিন সংস্থা। বিশ্বকাপের ম্যাচে তাকে সেই বুট পরে
খেলতে দেখা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন