ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হাতে অস্ত্রসহ আটক রফিকুল ইসলাম ওরফে রফির বিরুদ্ধে ৮টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। গত ৩ জুন বাগাডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় আটকের পর পুলিশি নথিপত্রে তার দীর্ঘ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র বেরিয়ে আসে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রফিকুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র, হত্যাচেষ্টা, মাদক, গুরুতর জখম, চুরি ও ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ৮টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ ৩ জুন অস্ত্র আইনে একটি মামলা হয়। অধিকাংশ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও কয়েকটি মামলা এখনো তদন্তাধীন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রফিকুল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ৩ জুন বিজিবি তাকে অস্ত্রসহ আটকের পর মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে গত ৯ জুন রফিকুলের পরিবার ঝিনাইদহে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন, রফিকুলকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাজানো মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। তবে পুলিশের দাবি, রফিকুল আগে থেকেই পুলিশের তালিকাভুক্ত অপরাধী ছিলেন।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। পুলিশ আগে থেকেই তাকে খুঁজছিল। বিজিবির হাতে অস্ত্রসহ আটকের পর তাকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। এখানে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না; বরং তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
আপনার মতামত লিখুন