মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুর, বিড়াল বা বন্য প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিনামূল্যে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগের প্রতিষেধক টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। সরকারি এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয় দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের রোগীদের চড়া মূল্যে বাইরে থেকে টিকা কেনার ভোগান্তি ও আর্থিক ব্যয় লাঘব হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ছুটি ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগে এই টিকাদান কার্যক্রম চলছে।
বরাইদ ইউনিয়নের পাতিলা পাড়া গ্রামের রানু (৬৫) নামের এক বৃদ্ধা আজ বিনামূল্যে টিকা গ্রহণ করে স্বস্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আগে এই টিকা অনেক টাকা দিয়ে বাইরে থেকে কিনে আনতে হতো। আজ সরকারি হাসপাতাল থেকে বিনা পয়সায় টিকা নিতে পেরে খুব ভালো লাগছে।”
সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, “জলাতঙ্ক একটি প্রাণঘাতী রোগ হলেও সময়মতো টিকা নিলে এটি শতভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমাদের হাসপাতালে পর্যাপ্ত টিকার মজুত রয়েছে এবং দক্ষ কর্মীরা নিয়মিত এই সেবা দিচ্ছেন।”
তিনি আরও পরামর্শ দেন, কোনো প্রাণী কামড়ালে বা আঁচড় দিলে ক্ষতস্থানটি দ্রুত ক্ষারযুক্ত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ধুয়ে ফেলতে হবে। কোনো প্রকার কবিরাজি বা ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর না করে সরাসরি হাসপাতালে আসার জন্য তিনি সর্বস্তরের মানুষকে আহ্বান জানান।
সরকারের এই জনবান্ধব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। বিনামূল্যে জীবনরক্ষাকারী এই টিকা পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
/

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুর, বিড়াল বা বন্য প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিনামূল্যে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগের প্রতিষেধক টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। সরকারি এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয় দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের রোগীদের চড়া মূল্যে বাইরে থেকে টিকা কেনার ভোগান্তি ও আর্থিক ব্যয় লাঘব হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ছুটি ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগে এই টিকাদান কার্যক্রম চলছে।
বরাইদ ইউনিয়নের পাতিলা পাড়া গ্রামের রানু (৬৫) নামের এক বৃদ্ধা আজ বিনামূল্যে টিকা গ্রহণ করে স্বস্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আগে এই টিকা অনেক টাকা দিয়ে বাইরে থেকে কিনে আনতে হতো। আজ সরকারি হাসপাতাল থেকে বিনা পয়সায় টিকা নিতে পেরে খুব ভালো লাগছে।”
সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, “জলাতঙ্ক একটি প্রাণঘাতী রোগ হলেও সময়মতো টিকা নিলে এটি শতভাগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমাদের হাসপাতালে পর্যাপ্ত টিকার মজুত রয়েছে এবং দক্ষ কর্মীরা নিয়মিত এই সেবা দিচ্ছেন।”
তিনি আরও পরামর্শ দেন, কোনো প্রাণী কামড়ালে বা আঁচড় দিলে ক্ষতস্থানটি দ্রুত ক্ষারযুক্ত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ধুয়ে ফেলতে হবে। কোনো প্রকার কবিরাজি বা ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর না করে সরাসরি হাসপাতালে আসার জন্য তিনি সর্বস্তরের মানুষকে আহ্বান জানান।
সরকারের এই জনবান্ধব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। বিনামূল্যে জীবনরক্ষাকারী এই টিকা পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
/

আপনার মতামত লিখুন