সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের কিশোর জাকির হোসেন এখন দেশের দ্রুততম মানব (কিশোর)। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের ১০০ মিটার দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে তিনি এই খেতাব অর্জন করেছেন। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা এই তরুণ অ্যাথলেট উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় আসরেও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে ঢাকার কমলাপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতীয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার ১০০ মিটার স্প্রিন্টে প্রথম হন জাকির। এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তার গলায় পরিয়ে দেওয়া হয় স্বর্ণপদক। পাশাপাশি তিনি ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কার লাভ করেন।
জাকির হোসেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের কাকশিয়ালি গ্রামের মাহবুবুর রহমানের ছেলে। তার বাবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত।
জাকির জানান, শুরুতে তিনি ফুটবল খেলতেন। পরে শিক্ষকদের উৎসাহ ও নিয়মিত অনুশীলনে অ্যাথলেটিকসে নাম লেখান। তিনি বলেন, ‘উপজেলা থেকে ধাপে ধাপে জাতীয় পর্যায়ে উঠেছি। যখন চ্যাম্পিয়ন হলাম, তখন নিজেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। মোমেন স্যার, বাচ্চু স্যার ও শাহিন স্যারদের সহযোগিতায় আমি আজকের এই অবস্থানে আসতে পেরেছি।’ ভবিষ্যতে বিকেএসপি বা জাতীয় ক্যাম্পে সুযোগ পেয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চান তিনি।
ছেলের সাফল্যে আবেগাপ্লুত বাবা মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই ওর খেলার প্রতি ঝোঁক ছিল। আমরা সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছি। এখন স্বপ্ন, সে দেশের বাইরেও বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে আনুক।’
স্থানীয় সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শিমুল বলেন, সাতক্ষীরা বরাবরই ক্রীড়াঙ্গনে বড় প্রতিভা উপহার দিয়েছে। ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান ও সৌম্য সরকারের পর অ্যাথলেটিকসে জাকিরের এই জয় প্রমাণ করল, সঠিক সুযোগ পেলে গ্রামীণ জনপদের ছেলেরাও জাতীয় পর্যায়ে সেরার মুকুট জিততে পারে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে জাকির আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের কিশোর জাকির হোসেন এখন দেশের দ্রুততম মানব (কিশোর)। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের ১০০ মিটার দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে তিনি এই খেতাব অর্জন করেছেন। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা এই তরুণ অ্যাথলেট উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় আসরেও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে ঢাকার কমলাপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতীয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার ১০০ মিটার স্প্রিন্টে প্রথম হন জাকির। এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তার গলায় পরিয়ে দেওয়া হয় স্বর্ণপদক। পাশাপাশি তিনি ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ পুরস্কার লাভ করেন।
জাকির হোসেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের কাকশিয়ালি গ্রামের মাহবুবুর রহমানের ছেলে। তার বাবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত।
জাকির জানান, শুরুতে তিনি ফুটবল খেলতেন। পরে শিক্ষকদের উৎসাহ ও নিয়মিত অনুশীলনে অ্যাথলেটিকসে নাম লেখান। তিনি বলেন, ‘উপজেলা থেকে ধাপে ধাপে জাতীয় পর্যায়ে উঠেছি। যখন চ্যাম্পিয়ন হলাম, তখন নিজেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। মোমেন স্যার, বাচ্চু স্যার ও শাহিন স্যারদের সহযোগিতায় আমি আজকের এই অবস্থানে আসতে পেরেছি।’ ভবিষ্যতে বিকেএসপি বা জাতীয় ক্যাম্পে সুযোগ পেয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চান তিনি।
ছেলের সাফল্যে আবেগাপ্লুত বাবা মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই ওর খেলার প্রতি ঝোঁক ছিল। আমরা সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছি। এখন স্বপ্ন, সে দেশের বাইরেও বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে আনুক।’
স্থানীয় সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শিমুল বলেন, সাতক্ষীরা বরাবরই ক্রীড়াঙ্গনে বড় প্রতিভা উপহার দিয়েছে। ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান ও সৌম্য সরকারের পর অ্যাথলেটিকসে জাকিরের এই জয় প্রমাণ করল, সঠিক সুযোগ পেলে গ্রামীণ জনপদের ছেলেরাও জাতীয় পর্যায়ে সেরার মুকুট জিততে পারে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে জাকির আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন