শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক বিষয় বিবেচনায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানার বদলির আদেশ বাতিল করে তাকে বর্তমান কর্মস্থলে বহাল রাখার আবেদন ইতিবাচকভাবে বিবেচনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তা।
দাপ্তরিক সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বদলির আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করেন নাজনীন সুলতানা। ২০২৪ সালের ২৬ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর দেওয়া আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। চলাফেরায় সমস্যার কারণে চিকিৎসকেরা তাকে একা না চলাফেরা করে পরিবারের তত্ত্বাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার স্বামী চুনারুঘাট উপজেলার লস্করপুর ভ্যালিতে ফিনলে চা কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। সরকারি বিধি অনুযায়ী স্বামীর কর্মস্থলে স্ত্রীর চাকরির সুযোগ থাকায় এবং চাকরিজীবনের মেয়াদ মাত্র ১১ মাস অবশিষ্ট থাকায় তাকে চুনারুঘাটের বর্তমান কর্মস্থলে বহাল রাখার আবেদন জানান তিনি।
পরে তার আবেদন ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। ২০২৪ সালের ২০ জুলাই মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকারের স্বাক্ষরে এক স্মারকে আবেদনের অনুলিপিসহ বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়।
তবে মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনার পরও তার বদলির আদেশ বাতিল ও বর্তমান কর্মস্থলে বহাল রাখার বিষয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ নাজনীন সুলতানার। এতে তিনি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।
নাজনীন সুলতানা বলেন, আগের মহাপরিচালক তার অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনা করে বদলির আদেশ বাতিল করে তাকে বর্তমান কর্মস্থলে বহাল রেখেছিলেন। কিন্তু বর্তমান মহাপরিচালক তাকে বদলি করছেন। তার ভাষ্য, কোনো অপরাধ থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, বদলি কোনো শাস্তি হতে পারে না। অথচ কোনো কারণ ছাড়াই তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক বিষয় বিবেচনায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানার বদলির আদেশ বাতিল করে তাকে বর্তমান কর্মস্থলে বহাল রাখার আবেদন ইতিবাচকভাবে বিবেচনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তা।
দাপ্তরিক সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বদলির আদেশ বাতিলের জন্য আবেদন করেন নাজনীন সুলতানা। ২০২৪ সালের ২৬ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর দেওয়া আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। চলাফেরায় সমস্যার কারণে চিকিৎসকেরা তাকে একা না চলাফেরা করে পরিবারের তত্ত্বাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার স্বামী চুনারুঘাট উপজেলার লস্করপুর ভ্যালিতে ফিনলে চা কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত। সরকারি বিধি অনুযায়ী স্বামীর কর্মস্থলে স্ত্রীর চাকরির সুযোগ থাকায় এবং চাকরিজীবনের মেয়াদ মাত্র ১১ মাস অবশিষ্ট থাকায় তাকে চুনারুঘাটের বর্তমান কর্মস্থলে বহাল রাখার আবেদন জানান তিনি।
পরে তার আবেদন ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। ২০২৪ সালের ২০ জুলাই মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকারের স্বাক্ষরে এক স্মারকে আবেদনের অনুলিপিসহ বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়।
তবে মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনার পরও তার বদলির আদেশ বাতিল ও বর্তমান কর্মস্থলে বহাল রাখার বিষয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ নাজনীন সুলতানার। এতে তিনি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন বলে জানান।
নাজনীন সুলতানা বলেন, আগের মহাপরিচালক তার অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনা করে বদলির আদেশ বাতিল করে তাকে বর্তমান কর্মস্থলে বহাল রেখেছিলেন। কিন্তু বর্তমান মহাপরিচালক তাকে বদলি করছেন। তার ভাষ্য, কোনো অপরাধ থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, বদলি কোনো শাস্তি হতে পারে না। অথচ কোনো কারণ ছাড়াই তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন