দীর্ঘদিনের বৈরিতা ও উত্তেজনা প্রশমনে ঐতিহাসিক এক পদক্ষেপে এগিয়ে এলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি সমঝোতা স্মারক ভার্চুয়ালি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্স অনলাইন মাধ্যমে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বলে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা।
অন্যদিকে, ইরানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন দেশটির সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
যদিও চুক্তির পূর্ণাঙ্গ কোনো পাঠ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে যে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর এটি প্রকাশ করা হতে পারে। প্রাথমিক সূত্র অনুযায়ী, চুক্তির প্রধান দিকগুলো হলো:
ইরানের বিভিন্ন বন্দরে আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ 'হরমুজ প্রণালি' পুনরায় সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হবে।
আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে দুই দেশ নতুন করে আলোচনায় বসবে।
চুক্তি সই হলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও কার্যক্রম নিয়ে দুই দেশের মধ্যে স্পষ্ট অবস্থানগত পার্থক্য দেখা গেছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি ব্যবহারের জন্য তারা নির্দিষ্ট হারে ‘ফি’ বা টোল আদায়ের পরিকল্পনা করছে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, আগামী শুক্রবার থেকে কোনো ধরনের টোল ছাড়াই প্রণালিটি সবার জন্য সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
এই সমঝোতার পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিছুটা ভিন্ন সুর গেয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, তিনি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব বিষয়ে একমত নন।
এদিকে এই কূটনৈতিক অগ্রগতির মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনা কমেনি। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল এবং ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের ওপর পাল্টা হামলার দাবি ও দায় স্বীকার করেছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
দীর্ঘদিনের বৈরিতা ও উত্তেজনা প্রশমনে ঐতিহাসিক এক পদক্ষেপে এগিয়ে এলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি সমঝোতা স্মারক ভার্চুয়ালি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্স অনলাইন মাধ্যমে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বলে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা।
অন্যদিকে, ইরানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন দেশটির সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
যদিও চুক্তির পূর্ণাঙ্গ কোনো পাঠ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে যে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর এটি প্রকাশ করা হতে পারে। প্রাথমিক সূত্র অনুযায়ী, চুক্তির প্রধান দিকগুলো হলো:
ইরানের বিভিন্ন বন্দরে আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ 'হরমুজ প্রণালি' পুনরায় সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হবে।
আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে দুই দেশ নতুন করে আলোচনায় বসবে।
চুক্তি সই হলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও কার্যক্রম নিয়ে দুই দেশের মধ্যে স্পষ্ট অবস্থানগত পার্থক্য দেখা গেছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি ব্যবহারের জন্য তারা নির্দিষ্ট হারে ‘ফি’ বা টোল আদায়ের পরিকল্পনা করছে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, আগামী শুক্রবার থেকে কোনো ধরনের টোল ছাড়াই প্রণালিটি সবার জন্য সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
এই সমঝোতার পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিছুটা ভিন্ন সুর গেয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, তিনি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব বিষয়ে একমত নন।
এদিকে এই কূটনৈতিক অগ্রগতির মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনা কমেনি। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল এবং ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের ওপর পাল্টা হামলার দাবি ও দায় স্বীকার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন