মানবসম্পদ গঠনে বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, চলতি অর্থ বছরে কারিগরি শিক্ষাখাতে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া আগামী বাজেটে সামগ্রিক শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জিডিপির ৩ দশমিক ৫ শতাংশ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ডিনস অ্যাওয়ার্ড' প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে শুধু সরকারের একার পক্ষে সব সম্ভব নয়; শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সব স্তরের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য শুধু জিপিএ-৫ অর্জন হওয়া উচিত নয়। তাদের মধ্যে নীতি-নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতিচর্চার বিকাশ ঘটানোও সমান জরুরি। আর এই লক্ষ্যেই দেশের কারিকুলাম ও সিলেবাসকে আরও যুগোপযোগী করার কাজ চলছে।"
অতীতে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি করা হলেও তা জিডিপির অনুপাতে সন্তোষজনক ছিল না উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন সাবেক সরকারগুলোর অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলেই শিক্ষাখাতে বিভিন্ন ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল। তিনি ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ এবং পরবর্তীতে ‘টাকার বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচি চালু করেছিলেন। পাশাপাশি মেয়েদের উপবৃত্তি প্রবর্তন করেছিলেন। বিগত বিএনপি সরকারের শাসনামলে দেশের শিক্ষা খাতে সবচেয়ে সুন্দর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিলো।"
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
মানবসম্পদ গঠনে বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, চলতি অর্থ বছরে কারিগরি শিক্ষাখাতে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া আগামী বাজেটে সামগ্রিক শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জিডিপির ৩ দশমিক ৫ শতাংশ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ডিনস অ্যাওয়ার্ড' প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে শুধু সরকারের একার পক্ষে সব সম্ভব নয়; শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সব স্তরের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য শুধু জিপিএ-৫ অর্জন হওয়া উচিত নয়। তাদের মধ্যে নীতি-নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতিচর্চার বিকাশ ঘটানোও সমান জরুরি। আর এই লক্ষ্যেই দেশের কারিকুলাম ও সিলেবাসকে আরও যুগোপযোগী করার কাজ চলছে।"
অতীতে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি করা হলেও তা জিডিপির অনুপাতে সন্তোষজনক ছিল না উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন সাবেক সরকারগুলোর অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলেই শিক্ষাখাতে বিভিন্ন ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল। তিনি ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ এবং পরবর্তীতে ‘টাকার বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচি চালু করেছিলেন। পাশাপাশি মেয়েদের উপবৃত্তি প্রবর্তন করেছিলেন। বিগত বিএনপি সরকারের শাসনামলে দেশের শিক্ষা খাতে সবচেয়ে সুন্দর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিলো।"
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন