নগরের বাকলিয়ায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় একমাত্র আসামি মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
গত ২১ মে নগরের বাকলিয়া থানার নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুরমাঠসংলগ্ন একটি গুদামঘরে এই শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ চিকিৎসা প্রতিবেদন, ডিএনএ পরীক্ষার ফল, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সবকিছু পর্যালোচনা করে এই রায় দেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেবে এই রায়।
উল্লেখ্য, গত ২১ মে শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হলে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়- সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় নামেন।
অভিযুক্ত মনির হোসেন স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করতেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। পরে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে বিক্ষুব্ধ ভিড়ের মধ্য দিয়ে বাকলিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গত ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ৯ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি হলো।

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
নগরের বাকলিয়ায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় একমাত্র আসামি মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
গত ২১ মে নগরের বাকলিয়া থানার নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুরমাঠসংলগ্ন একটি গুদামঘরে এই শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ চিকিৎসা প্রতিবেদন, ডিএনএ পরীক্ষার ফল, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সবকিছু পর্যালোচনা করে এই রায় দেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেবে এই রায়।
উল্লেখ্য, গত ২১ মে শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হলে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়- সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় নামেন।
অভিযুক্ত মনির হোসেন স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করতেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। পরে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে বিক্ষুব্ধ ভিড়ের মধ্য দিয়ে বাকলিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গত ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ৯ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি হলো।

আপনার মতামত লিখুন