মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় সোহেল মুন্সী (৩৯) নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতেও আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ২ টার দিকে উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের কালুরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সোহেল মুন্সী ওই গ্রামের মৃত ইসমাইল মুন্সীর ছেলে। তিনি পার্শ্ববর্তী সিডার চর এলাকা থেকে ভাঙারি মালামাল সংগ্রহ করে কেনাবেচা করতেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে খাবার শেষে সোহেল তার বসতবাড়ির পূর্ব পাশের একটি ঘরে একাই ঘুমাতে যান। তার স্ত্রী নূপুর বেগম কিছুদিন আগে সন্তান প্রসব করায় শাশুড়ি সেফালি বেগমের সঙ্গে পাশের অন্য একটি ঘরে ছিলেন। গভীর রাতে বাড়ির উঠানে আকস্মিক শব্দ শুনে সোহেলের মা ও স্ত্রী জেগে ওঠেন। তারা ঘর থেকে বের হয়ে দেখতে পান, উঠানে সোহেলের মোটরসাইকেলটি দাউদাউ করে জ্বলছে। একই সময়ে উঠানে সোহেল মুন্সীর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।
ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা সোহেলকে ঘর থেকে ডেকে বের করে আনে। এরপর বাড়ির উঠানেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করার পর দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে বিদেশি মদসহ র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সোহেল মুন্সী। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
/

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় সোহেল মুন্সী (৩৯) নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর নিহতের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিতেও আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ২ টার দিকে উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের কালুরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সোহেল মুন্সী ওই গ্রামের মৃত ইসমাইল মুন্সীর ছেলে। তিনি পার্শ্ববর্তী সিডার চর এলাকা থেকে ভাঙারি মালামাল সংগ্রহ করে কেনাবেচা করতেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে খাবার শেষে সোহেল তার বসতবাড়ির পূর্ব পাশের একটি ঘরে একাই ঘুমাতে যান। তার স্ত্রী নূপুর বেগম কিছুদিন আগে সন্তান প্রসব করায় শাশুড়ি সেফালি বেগমের সঙ্গে পাশের অন্য একটি ঘরে ছিলেন। গভীর রাতে বাড়ির উঠানে আকস্মিক শব্দ শুনে সোহেলের মা ও স্ত্রী জেগে ওঠেন। তারা ঘর থেকে বের হয়ে দেখতে পান, উঠানে সোহেলের মোটরসাইকেলটি দাউদাউ করে জ্বলছে। একই সময়ে উঠানে সোহেল মুন্সীর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।
ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা সোহেলকে ঘর থেকে ডেকে বের করে আনে। এরপর বাড়ির উঠানেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যু নিশ্চিত করার পর দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে বিদেশি মদসহ র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সোহেল মুন্সী। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
/

আপনার মতামত লিখুন