নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় রইসুল ইসলাম নিবির (১৭) নামে ৮ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, দাম্পত্য কলহের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে পালিয়েছেন।
নিহত নিবির উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের ইসলামপাড়া গ্রামের মাসুদ মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার স্ত্রী ফাহমিদা আক্তারও (১৫) একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৮ মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের জেরে নিবির ও ফাহমিদার বিয়ে হয়। সম্প্রতি বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে ফাহমিদা বাবার বাড়িতে চলে যান। মঙ্গলবার রাতে নিবির স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়ি যান। রাত পৌনে ১২টার দিকে এক অটোচালক নিবিরকে অচেতন অবস্থায় তার বাড়িতে পৌঁছে দেন। স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
অটোচালক জহিরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতে ফাহমিদার বাবা তাকে ফোন করে বাড়িতে ডাকেন। পরে অচেতন অবস্থায় নিবিরকে অটোতে তুলে দিয়ে তার বাড়িতে পৌঁছে দিতে বলেন।
নিবিরের বাবা মাসুদ মিয়া ও বোন রাত্রী আক্তারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকজনই নিবিরকে হত্যা করেছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। ঘটনার পর থেকে ফাহমিদা ও তার বাবা মোশারফ হোসেনসহ পরিবারের সবাই পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পলাশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের পর দাফন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
/

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় রইসুল ইসলাম নিবির (১৭) নামে ৮ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, দাম্পত্য কলহের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে পালিয়েছেন।
নিহত নিবির উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের ইসলামপাড়া গ্রামের মাসুদ মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার স্ত্রী ফাহমিদা আক্তারও (১৫) একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৮ মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের জেরে নিবির ও ফাহমিদার বিয়ে হয়। সম্প্রতি বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে ফাহমিদা বাবার বাড়িতে চলে যান। মঙ্গলবার রাতে নিবির স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়ি যান। রাত পৌনে ১২টার দিকে এক অটোচালক নিবিরকে অচেতন অবস্থায় তার বাড়িতে পৌঁছে দেন। স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
অটোচালক জহিরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতে ফাহমিদার বাবা তাকে ফোন করে বাড়িতে ডাকেন। পরে অচেতন অবস্থায় নিবিরকে অটোতে তুলে দিয়ে তার বাড়িতে পৌঁছে দিতে বলেন।
নিবিরের বাবা মাসুদ মিয়া ও বোন রাত্রী আক্তারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকজনই নিবিরকে হত্যা করেছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। ঘটনার পর থেকে ফাহমিদা ও তার বাবা মোশারফ হোসেনসহ পরিবারের সবাই পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পলাশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের পর দাফন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
/

আপনার মতামত লিখুন