রাজশাহী মহানগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সর্বনিম্ন ভাড়া কোনো ঘোষণা ছাড়াই দ্বিগুণ করা হয়েছে। ৫ টাকার ভাড়া ১০ টাকা করায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে নগরের মোড়ে মোড়ে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। তবে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা অটোরিকশার ভাড়া বৃদ্ধি করেনি।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়, বর্ণালী ও লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে যাত্রী ও চালকদের মধ্যে সমানে তর্কাতর্কি চলছে। সিটি করপোরেশনকে তোয়াক্কা না করে এক শ্রেণির চালক নিজেরাই ভাড়ার লিফলেট বিতরণ করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করছেন। নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সোমিক শাহী রায়হান বলেন, “আগে রেলগেট থেকে ১০ টাকায় কলেজে যেতাম, এখন জোর করে ১৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটা অন্যায্য।”
ভাড়া বৃদ্ধির পক্ষে যুক্তি দিয়ে অটোরিকশাচালক রকি জানান, সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম ও গাড়ির যন্ত্রাংশের দাম বাড়ায় তারা ভাড়া বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধির একটি তালিকা প্রচার করা হচ্ছে। তবে বড় অটোরিকশা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘নাহার অটো’র ব্যবস্থাপক কাজী মো. তুহিন জানান, যন্ত্রাংশের দাম বাড়লেও গাড়ি বা ব্যাটারির দাম ইদানীং নতুন করে বাড়েনি। বরং বাজেটের পর দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গতকাল মাঠে নামে রাসিকের রাজস্ব বিভাগ। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন কর্মকর্তারা। রাসিকের এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অটোরিকশার ভাড়া নতুন করে নির্ধারণ করা হয়নি। নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা না দিতে নগরবাসীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং চালকদেরও সতর্ক করা হয়েছে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. নূর-ঈ-সাঈদ বলেন, “ভাড়া বাড়ানোর কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। কে বা কারা এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে তা আমাদের জানা নেই। বাড়তি ভাড়া আদায় ঠেকাতে আমরা নজরদারি শুরু করেছি।”
/

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
রাজশাহী মহানগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সর্বনিম্ন ভাড়া কোনো ঘোষণা ছাড়াই দ্বিগুণ করা হয়েছে। ৫ টাকার ভাড়া ১০ টাকা করায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে নগরের মোড়ে মোড়ে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। তবে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা অটোরিকশার ভাড়া বৃদ্ধি করেনি।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়, বর্ণালী ও লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে যাত্রী ও চালকদের মধ্যে সমানে তর্কাতর্কি চলছে। সিটি করপোরেশনকে তোয়াক্কা না করে এক শ্রেণির চালক নিজেরাই ভাড়ার লিফলেট বিতরণ করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করছেন। নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সোমিক শাহী রায়হান বলেন, “আগে রেলগেট থেকে ১০ টাকায় কলেজে যেতাম, এখন জোর করে ১৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এটা অন্যায্য।”
ভাড়া বৃদ্ধির পক্ষে যুক্তি দিয়ে অটোরিকশাচালক রকি জানান, সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম ও গাড়ির যন্ত্রাংশের দাম বাড়ায় তারা ভাড়া বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধির একটি তালিকা প্রচার করা হচ্ছে। তবে বড় অটোরিকশা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘নাহার অটো’র ব্যবস্থাপক কাজী মো. তুহিন জানান, যন্ত্রাংশের দাম বাড়লেও গাড়ি বা ব্যাটারির দাম ইদানীং নতুন করে বাড়েনি। বরং বাজেটের পর দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গতকাল মাঠে নামে রাসিকের রাজস্ব বিভাগ। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন কর্মকর্তারা। রাসিকের এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অটোরিকশার ভাড়া নতুন করে নির্ধারণ করা হয়নি। নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা না দিতে নগরবাসীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং চালকদেরও সতর্ক করা হয়েছে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. নূর-ঈ-সাঈদ বলেন, “ভাড়া বাড়ানোর কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। কে বা কারা এই সিদ্ধান্ত দিয়েছে তা আমাদের জানা নেই। বাড়তি ভাড়া আদায় ঠেকাতে আমরা নজরদারি শুরু করেছি।”
/

আপনার মতামত লিখুন