ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতেছে পুরো দেশ। তবে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রাম যেন ছাড়িয়ে গেছে সব আয়োজনকে। গ্রামটিতে প্রবেশ করলেই মনে হয়, টেলিভিশন নয়, বিশ্বকাপ যেন নেমে এসেছে প্রতিটি ঘরে ও আঙিনায়। বিখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার বাড়িকে কেন্দ্র করে পুরো গ্রাম এখন এক উৎসবমুখর ‘ফ্যান জোন’।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের রাস্তার দুই পাশে উড়ছে বিভিন্ন দেশের পতাকা। আর্জেন্টিনার নীল-সাদা আর ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ পতাকায় রঙিন হয়ে উঠেছে পরিবেশ। শুধু পতাকাই নয়, কবি গোলাম মোস্তফার বাড়ির মূল ফটক, আঙিনা, বসতঘর ও গাছের ডালে টাঙানো হয়েছে প্রিয় তারকাদের ছবি। লিওনেল মেসি, নেইমার ও এমবাপ্পের প্রতিকৃতির পাশাপাশি শোভা পাচ্ছে ফুটবল ও ট্রফির প্রতীক।
ব্যতিক্রমী এই সাজসজ্জা দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন। কেউ পরিবার নিয়ে আসছেন, কেউবা বন্ধুদের নিয়ে ছবি তুলছেন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের মধ্যে উচ্ছ্বাস সবচেয়ে বেশি। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে মেতে উঠছে তারা।
স্থানীয় তরুণরা জানান, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে গ্রামের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সিজার জিকরুল বলেন, ‘বিশ্বকাপ এলেই আমাদের গ্রামে আলাদা আনন্দ শুরু হয়। তবে এবার সাজসজ্জা সব আয়োজনকে ছাড়িয়ে গেছে। এতে গ্রামের পরিচিতিও বাড়ছে।’
আয়োজক তরুণদের একজন শাওন শ্রাবন বলেন, বিশ্বকাপের আনন্দ শুধু পর্দার ভেতরে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই তারা গ্রামটিকে এভাবে সাজিয়েছেন। দর্শকদের ভালোবাসা ও উপস্থিতিতে পুরো গ্রাম এখন এক টুকরো উৎসবে পরিণত হয়েছে।
/
/

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতেছে পুরো দেশ। তবে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রাম যেন ছাড়িয়ে গেছে সব আয়োজনকে। গ্রামটিতে প্রবেশ করলেই মনে হয়, টেলিভিশন নয়, বিশ্বকাপ যেন নেমে এসেছে প্রতিটি ঘরে ও আঙিনায়। বিখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার বাড়িকে কেন্দ্র করে পুরো গ্রাম এখন এক উৎসবমুখর ‘ফ্যান জোন’।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের রাস্তার দুই পাশে উড়ছে বিভিন্ন দেশের পতাকা। আর্জেন্টিনার নীল-সাদা আর ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ পতাকায় রঙিন হয়ে উঠেছে পরিবেশ। শুধু পতাকাই নয়, কবি গোলাম মোস্তফার বাড়ির মূল ফটক, আঙিনা, বসতঘর ও গাছের ডালে টাঙানো হয়েছে প্রিয় তারকাদের ছবি। লিওনেল মেসি, নেইমার ও এমবাপ্পের প্রতিকৃতির পাশাপাশি শোভা পাচ্ছে ফুটবল ও ট্রফির প্রতীক।
ব্যতিক্রমী এই সাজসজ্জা দেখতে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন। কেউ পরিবার নিয়ে আসছেন, কেউবা বন্ধুদের নিয়ে ছবি তুলছেন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের মধ্যে উচ্ছ্বাস সবচেয়ে বেশি। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে মেতে উঠছে তারা।
স্থানীয় তরুণরা জানান, বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে গ্রামের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা সিজার জিকরুল বলেন, ‘বিশ্বকাপ এলেই আমাদের গ্রামে আলাদা আনন্দ শুরু হয়। তবে এবার সাজসজ্জা সব আয়োজনকে ছাড়িয়ে গেছে। এতে গ্রামের পরিচিতিও বাড়ছে।’
আয়োজক তরুণদের একজন শাওন শ্রাবন বলেন, বিশ্বকাপের আনন্দ শুধু পর্দার ভেতরে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই তারা গ্রামটিকে এভাবে সাজিয়েছেন। দর্শকদের ভালোবাসা ও উপস্থিতিতে পুরো গ্রাম এখন এক টুকরো উৎসবে পরিণত হয়েছে।
/
/

আপনার মতামত লিখুন