চাকরি, বিনিয়োগ, গাড়ি ও কুরবানির গরু কেনার নামে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও মির্জা আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) দুপুরে টানা ১৮ ঘণ্টার অভিযান শেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, গাড়ি কেনাবেচার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা হয়। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুলশান থানা পুলিশ জানতে পারে, আবুল বাশার গুলশান-১ এলাকার একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন। এরপর গত রাতে সেখানে অভিযান শুরু করে পুলিশ। দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার চেষ্টা শেষে শনিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার জাল বিছিয়েছিলেন। তিনি চাকরির প্রলোভন, আসামি মুক্ত করার আশ্বাস, ভুয়া ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি ও পশুর হাটে প্রতারণাসহ বিভিন্ন কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।
পুলিশের রেকর্ডে জানা যায়, প্রায় ১০-১১ মাস আগেও গুলশান থানা পুলিশের অভিযানে তার হেফাজত থেকে দুটি চোরাই ও প্রতারণামূলক গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছিল। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
চাকরি, বিনিয়োগ, গাড়ি ও কুরবানির গরু কেনার নামে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও মির্জা আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) দুপুরে টানা ১৮ ঘণ্টার অভিযান শেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, গাড়ি কেনাবেচার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা হয়। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুলশান থানা পুলিশ জানতে পারে, আবুল বাশার গুলশান-১ এলাকার একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন। এরপর গত রাতে সেখানে অভিযান শুরু করে পুলিশ। দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার চেষ্টা শেষে শনিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আবুল বাশার দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার জাল বিছিয়েছিলেন। তিনি চাকরির প্রলোভন, আসামি মুক্ত করার আশ্বাস, ভুয়া ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি ও পশুর হাটে প্রতারণাসহ বিভিন্ন কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।
পুলিশের রেকর্ডে জানা যায়, প্রায় ১০-১১ মাস আগেও গুলশান থানা পুলিশের অভিযানে তার হেফাজত থেকে দুটি চোরাই ও প্রতারণামূলক গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছিল। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন