এই ফলপ্রসূ আলোচনায় বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং বিভিন্ন কারণে সেখানে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈধকরণ ও ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের বিষয়টি।
এ ছাড়া বাংলাদেশের উৎপাদিত আম, বিভিন্ন ফলমূল ও শাকসবজি যাতে মালয়েশিয়ার বাজারে সহজে প্রবেশাধিকার পায়, তা নিয়েও কথা হয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে আসিয়ানের (ASEAN) সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের আবেদন এবং ‘রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ’-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে মালয়েশিয়ার সমর্থন চাওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্বের সাথে উঠে আসে।
বৈঠক শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। এর পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ দমন তথা কাউন্টার-টেররিজম বিষয়ে যৌথ গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি দলিল এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক দলিল বিনিময় করা হয়।দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই দলিলগুলো বিনিময় করেন। চুক্তি ও দলিল স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন।
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
এই ফলপ্রসূ আলোচনায় বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং বিভিন্ন কারণে সেখানে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈধকরণ ও ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের বিষয়টি।
এ ছাড়া বাংলাদেশের উৎপাদিত আম, বিভিন্ন ফলমূল ও শাকসবজি যাতে মালয়েশিয়ার বাজারে সহজে প্রবেশাধিকার পায়, তা নিয়েও কথা হয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে আসিয়ানের (ASEAN) সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের আবেদন এবং ‘রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ’-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে মালয়েশিয়ার সমর্থন চাওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্বের সাথে উঠে আসে।
বৈঠক শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। এর পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ দমন তথা কাউন্টার-টেররিজম বিষয়ে যৌথ গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি দলিল এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক দলিল বিনিময় করা হয়।দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই দলিলগুলো বিনিময় করেন। চুক্তি ও দলিল স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন।
আপনার মতামত লিখুন