সিলেটের হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে প্রশাসনের উদ্যোগে দানবাক্স স্থাপন ও পুরোনো দানের ডেগ সিলগালার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশ ও প্রবাসের ৬৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছেন, শত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এই দরগাহে এ ধরনের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ স্বাধীন বাংলাদেশে অতীতে কখনো দেখা যায়নি।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ও নেফ্রোলজিস্ট অধ্যাপক এমিরিটাস ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী তবারক হোসেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক অধ্যাপক, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সিলেটের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দা শিরীন আক্তার, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল, কবি শামিম আজাদসহ রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন ও প্রবাসী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, মাজারের দান-খয়রাত ও মানতের অর্থে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়া সবারই কাম্য। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো আইনি এখতিয়ার বা আদালতের নির্দেশনা ছাড়া যেভাবে দরগাহর অভ্যন্তরীণ পরিচালনায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে, তাতে সিলেটের সর্বস্তরের জনসাধারণ গভীরভাবে মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনা দরগাহ ও মাজার সংস্কৃতি-বিরোধী একটি বিশেষ মহলের দীর্ঘদিনের অভিসন্ধি পূরণের স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা জনমনে তীব্র সংশয় ও আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে।
বিবৃতিদাতারা মনে করিয়ে দেন, পীর-আউলিয়াদের মাজার নিছক ইট-পাথরের কাঠামো নয়, আর দানবাক্স বা ডেগ স্রেফ টাকা জমার উপকরণ নয়—এগুলো সুফি-সাধকদের মরমি প্রেমের পবিত্র আঙিনায় মানুষের নিঃশর্ত নিবেদনের প্রতীক, যা কোনো জাগতিক পরিমাপে মাপা সম্ভব নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, যে কঠোর ও সামরিক কায়দায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে, তা সিলেটের শতাব্দীপ্রাচীন সৌহার্দ্যপূর্ণ ঐতিহ্য ও মানুষের ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক অনুভূতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সংঘাতপূর্ণ।
দরগাহর মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দরগাহ কর্তৃপক্ষ, সুফিবাদী আলেম-উলামা, সুশীল সমাজ ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও ঐকমত্যে পৌঁছানো ন্যূনতম শিষ্টাচারের অংশ ছিল বলে মন্তব্য করেন তারা। যা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পীর-আউলিয়াদের দরগাহ পর্যটন কেন্দ্র নয়; সুফি সংস্কৃতিতেই এটি পরিচালিত হয়ে আসছে এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে প্রায় সাতশ বছর ধরে এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে শাহজালাল ও শাহপরান দরগাহ।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা সিলেটের জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসন, দরগাহ কর্তৃপক্ষ ও নাগরিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যৌথ আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি সম্মানজনক ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানান। তারা অবিলম্বে দরগাহ শরীফ থেকে প্রশাসনের দানবাক্স, তালা ও পুলিশি বেষ্টনী প্রত্যাহার এবং এই সংকটে সিলেট অঞ্চলের সব জনপ্রতিনিধিসহ সরকারের সর্বোচ্চ মহলের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিবৃতিতে অন্যান্য স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন, সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা বাবরুল হোসেন বাবুল, সাবেক অতিরিক্ত মহা-পুলিশ পরিদর্শক (এআইজি) মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বজলুল করিম বিপিএম, প্রবীণ রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য, প্রবাসী সংগঠক মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন চৌধুরী রানা, গুলশান নিকেতন সোসাইটির প্রাক্তন সভাপতি প্রকৌশলী হাবিব আহসান বাবলু, স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ জেরিনা হোসেন, নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ইন্সপেক্টর আব্দুল্লাহ খোন্দকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হ্যারল্ড রশীদ, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইরফানুজ্জামান চৌধুরী, বিশিষ্ট ঐতিহ্য সংগ্রাহক ও ধরা সিলেটের আহ্বায়ক ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী (বাহার)।
আরও আছেন সিলেট প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি ডা. নাসিম আহমদ, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. তারেক আজাদ, পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট, সিলেট-এর ট্রাস্ট্রি সাকী চৌধুরী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা-এর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক্-এর সভাপতি বদরুল হোসেন খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রানা ফেরদৌস ও জুয়েল চৌধুরী, গ্লোবাল জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল।
এছাড়া বাংলাদেশ সোসাইটি নিউইয়র্ক-এর সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, নিসর্গবিদ স্থপতি তুগলক আজাদ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইডিয়ার প্রধান নির্বাহী নাজমুল হক ও এফআইভিডিবি-এর নির্বাহী পরিচালক বজলে মোস্তফা রাজী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ জি এ হায়দার, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুল হক, নৃতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সঞ্জয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এম আশরাফুল আল হক, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউকে-এর সদস্য ড. আনিছুর রহমান আনিছ, প্রাক্তন রোটারি গভর্নর রোটারিয়ান শহীদ আহমদ চৌধুরী।
আরও আছেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন, সিপিবি জেলা সভাপতি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান, বাংলাদেশ জাসদ মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকির আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক নাজাত কবির, বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর ও সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক সিরাজ আহমদ, সাম্যবাদী আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট মহীতোষ দেব মলয়, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সমন্বয়ক সঞ্জয় কান্ত দাস, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট জেলা আহ্বায়ক জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জেলা সভাপতি নাজিকুল ইসলাম রানা, প্রবাসী ব্যবসায়ী ফকু চৌধুরী, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের প্রধান পরিচালক শামসুল বাছিত শেরো।
বিবৃতিতে আরও স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাজ্যের পূর্বরাগ থিয়েটারের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মুরাদ খান, প্রবাসী লেখিকা জেসমিন চৌধুরী, প্রবাসী শিল্পি আমির মোহাম্মদ, পরিবেশবাদী সংগঠন অমরাবতি চেয়ারম্যান সেবুল চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসিনা বেগম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছামির মাহমুদ, লেখক কবির ইয়াহমদ, প্রবাসী সাংবাদিক ও লেখক সৈয়দ উদবা ও মাহবুব রহমান, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সদস্য সৈয়দ জয়নুল শামস, সিলেট ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সভাপতি আ ন ম জিয়া, যুক্তরাজ্য প্রবাসী লেখক ও কবি হামিদ মোহাম্মদ, ব্রিকলেন নিউজডটকম-এর সম্পাদক জুয়েল রাজ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গোলাম সোবহান চৌধুরী ও ব্যারিস্টার সীমা করিম ও সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল করিম কিম।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
সিলেটের হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে প্রশাসনের উদ্যোগে দানবাক্স স্থাপন ও পুরোনো দানের ডেগ সিলগালার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশ ও প্রবাসের ৬৬ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছেন, শত শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এই দরগাহে এ ধরনের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ স্বাধীন বাংলাদেশে অতীতে কখনো দেখা যায়নি।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ও নেফ্রোলজিস্ট অধ্যাপক এমিরিটাস ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী তবারক হোসেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক অধ্যাপক, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সিলেটের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দা শিরীন আক্তার, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল, কবি শামিম আজাদসহ রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন ও প্রবাসী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, মাজারের দান-খয়রাত ও মানতের অর্থে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়া সবারই কাম্য। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো আইনি এখতিয়ার বা আদালতের নির্দেশনা ছাড়া যেভাবে দরগাহর অভ্যন্তরীণ পরিচালনায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে, তাতে সিলেটের সর্বস্তরের জনসাধারণ গভীরভাবে মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনা দরগাহ ও মাজার সংস্কৃতি-বিরোধী একটি বিশেষ মহলের দীর্ঘদিনের অভিসন্ধি পূরণের স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা জনমনে তীব্র সংশয় ও আশঙ্কার সৃষ্টি করেছে।
বিবৃতিদাতারা মনে করিয়ে দেন, পীর-আউলিয়াদের মাজার নিছক ইট-পাথরের কাঠামো নয়, আর দানবাক্স বা ডেগ স্রেফ টাকা জমার উপকরণ নয়—এগুলো সুফি-সাধকদের মরমি প্রেমের পবিত্র আঙিনায় মানুষের নিঃশর্ত নিবেদনের প্রতীক, যা কোনো জাগতিক পরিমাপে মাপা সম্ভব নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, যে কঠোর ও সামরিক কায়দায় এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে, তা সিলেটের শতাব্দীপ্রাচীন সৌহার্দ্যপূর্ণ ঐতিহ্য ও মানুষের ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক অনুভূতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সংঘাতপূর্ণ।
দরগাহর মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দরগাহ কর্তৃপক্ষ, সুফিবাদী আলেম-উলামা, সুশীল সমাজ ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা ও ঐকমত্যে পৌঁছানো ন্যূনতম শিষ্টাচারের অংশ ছিল বলে মন্তব্য করেন তারা। যা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পীর-আউলিয়াদের দরগাহ পর্যটন কেন্দ্র নয়; সুফি সংস্কৃতিতেই এটি পরিচালিত হয়ে আসছে এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে প্রায় সাতশ বছর ধরে এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে শাহজালাল ও শাহপরান দরগাহ।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা সিলেটের জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসন, দরগাহ কর্তৃপক্ষ ও নাগরিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যৌথ আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি সম্মানজনক ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের আহ্বান জানান। তারা অবিলম্বে দরগাহ শরীফ থেকে প্রশাসনের দানবাক্স, তালা ও পুলিশি বেষ্টনী প্রত্যাহার এবং এই সংকটে সিলেট অঞ্চলের সব জনপ্রতিনিধিসহ সরকারের সর্বোচ্চ মহলের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিবৃতিতে অন্যান্য স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন, সিলেট পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা বাবরুল হোসেন বাবুল, সাবেক অতিরিক্ত মহা-পুলিশ পরিদর্শক (এআইজি) মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ বজলুল করিম বিপিএম, প্রবীণ রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য, প্রবাসী সংগঠক মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন চৌধুরী রানা, গুলশান নিকেতন সোসাইটির প্রাক্তন সভাপতি প্রকৌশলী হাবিব আহসান বাবলু, স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ জেরিনা হোসেন, নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ইন্সপেক্টর আব্দুল্লাহ খোন্দকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হ্যারল্ড রশীদ, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইরফানুজ্জামান চৌধুরী, বিশিষ্ট ঐতিহ্য সংগ্রাহক ও ধরা সিলেটের আহ্বায়ক ডা. মোস্তফা শাহজামান চৌধুরী (বাহার)।
আরও আছেন সিলেট প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি ডা. নাসিম আহমদ, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. তারেক আজাদ, পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্ট, সিলেট-এর ট্রাস্ট্রি সাকী চৌধুরী, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা-এর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক্-এর সভাপতি বদরুল হোসেন খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রানা ফেরদৌস ও জুয়েল চৌধুরী, গ্লোবাল জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ময়নুল হক চৌধুরী হেলাল।
এছাড়া বাংলাদেশ সোসাইটি নিউইয়র্ক-এর সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, নিসর্গবিদ স্থপতি তুগলক আজাদ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইডিয়ার প্রধান নির্বাহী নাজমুল হক ও এফআইভিডিবি-এর নির্বাহী পরিচালক বজলে মোস্তফা রাজী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এ জি এ হায়দার, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুল হক, নৃতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সঞ্জয় কৃষ্ণ বিশ্বাস, লিডিং ইউনিভার্সিটির ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এম আশরাফুল আল হক, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউকে-এর সদস্য ড. আনিছুর রহমান আনিছ, প্রাক্তন রোটারি গভর্নর রোটারিয়ান শহীদ আহমদ চৌধুরী।
আরও আছেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন, সিপিবি জেলা সভাপতি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান, বাংলাদেশ জাসদ মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকির আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক নাজাত কবির, বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর ও সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পাল, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক সিরাজ আহমদ, সাম্যবাদী আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট মহীতোষ দেব মলয়, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সমন্বয়ক সঞ্জয় কান্ত দাস, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট জেলা আহ্বায়ক জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জেলা সভাপতি নাজিকুল ইসলাম রানা, প্রবাসী ব্যবসায়ী ফকু চৌধুরী, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের প্রধান পরিচালক শামসুল বাছিত শেরো।
বিবৃতিতে আরও স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাজ্যের পূর্বরাগ থিয়েটারের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর মুরাদ খান, প্রবাসী লেখিকা জেসমিন চৌধুরী, প্রবাসী শিল্পি আমির মোহাম্মদ, পরিবেশবাদী সংগঠন অমরাবতি চেয়ারম্যান সেবুল চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসিনা বেগম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছামির মাহমুদ, লেখক কবির ইয়াহমদ, প্রবাসী সাংবাদিক ও লেখক সৈয়দ উদবা ও মাহবুব রহমান, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সদস্য সৈয়দ জয়নুল শামস, সিলেট ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সভাপতি আ ন ম জিয়া, যুক্তরাজ্য প্রবাসী লেখক ও কবি হামিদ মোহাম্মদ, ব্রিকলেন নিউজডটকম-এর সম্পাদক জুয়েল রাজ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গোলাম সোবহান চৌধুরী ও ব্যারিস্টার সীমা করিম ও সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল করিম কিম।

আপনার মতামত লিখুন