অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে (ডব্লিউডব্লিউডিসি) সিরির নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) রূপটি সবার নজর কাড়লেও চমক এখানেই শেষ নয়। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আইওএস ২৭ (iOS 27) আপডেটের মাধ্যমে আইফোনের পরিচিত অ্যাপগুলোতে অত্যন্ত নীরবে যুক্ত হচ্ছে বেশ কিছু কার্যকরী এআই ফিচার। বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে রেস্তোরাঁর বিল ভাগাভাগি করা, তথ্য ফাঁসের পর পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখা বা একঘেয়ে কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করার মতো বিষয়গুলো এখন আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য আরও সহজ হতে যাচ্ছে।
ইমেইল ও মেসেজে আসছে নতুন মাত্রা মেইল এবং মেসেজ অ্যাপে যুক্ত হচ্ছে দারুণ সব
বুদ্ধিমত্তা। মেইলের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারকারীর লেখার ধরন বুঝে
স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তর তৈরি করে দেবে। ফলে ক্যালেন্ডার ইনভাইট, মিটিংয়ের
অনুরোধ বা ছোটখাটো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাবে মাত্র এক ক্লিকেই। বড় কোনো ইমেইল
থ্রেড পড়ার সময় বাঁচিয়ে এআই পুরো আলোচনার একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ তৈরি করে দেবে
ব্যবহারকারীর জন্য। ইমেইল ড্রাফট করার সময় লেখার মেজাজ ঠিক আছে কি না তা যাচাই
করার পাশাপাশি কোনো ফাইল যুক্ত করতে ভুলে গেলে সেটিও মনে করিয়ে দেবে এই প্রযুক্তি।
অন্যদিকে, মেসেজ অ্যাপে স্মার্ট রিপ্লাই এবং স্প্যাম ফিল্টারিং
ব্যবস্থা আরও উন্নত হচ্ছে। মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে এটি ফিশিং বা প্রতারণামূলক
বার্তাগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শনাক্ত করে ব্যবহারকারীকে সুরক্ষিত রাখবে।
স্মার্ট ফোকাস মোড এবং ছবি সম্পাদনা ফটোস অ্যাপে জেনারেটিভ এআইয়ের সাহায্যে ছবিতে থাকা
অবাঞ্ছিত কোনো অংশ মুছে ফেলা বা ছবির পেছনের দৃশ্য (ব্যাকগ্রাউন্ড) সম্প্রসারণ
করার মতো চমকপ্রদ সুবিধা পাওয়া যাবে। ব্যবহারকারীর ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ বা মুখের
স্বাভাবিক কথার মাধ্যমে খুব সহজেই নির্দিষ্ট ছবি খুঁজে বের করা সম্ভব হবে। এছাড়া
আইফোনের ফোকাস মোড ব্যবহারকারীর অবস্থান, সময় এবং
অ্যাপ ব্যবহারের ধরন বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বুঝে নেবে তিনি কখন কাজ করছেন,
ব্যায়াম করছেন নাকি ঘুমাচ্ছেন। সে অনুযায়ী আইফোন নিজেই নোটিফিকেশন
নিয়ন্ত্রণ করবে। এমনকি ব্যবহারকারীর নিত্যদিনের রুটিন বুঝে ব্লুটুথ সংযোগগুলোও আগে
থেকেই প্রস্তুত রাখবে ডিভাইসটি।
গোপনীয়তা এবং প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার অ্যাপল বরাবরই তথ্যের গোপনীয়তাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য
দেয়। তাই এই এআই ফিচারগুলোর যাবতীয় ডেটা প্রসেসিংয়ের কাজ সরাসরি ব্যবহারকারীর
ডিভাইসের ভেতরেই সম্পন্ন হবে, ক্লাউডে নয়। তবে এই উন্নত সুবিধাগুলো পাওয়ার জন্য
তুলনামূলক আধুনিক আইফোনের প্রয়োজন হবে। এ১৫ (A15) বায়োনিক চিপ
বা এর চেয়ে আধুনিক প্রসেসরযুক্ত আইফোনগুলোতে এই এআই ফিচারগুলো সম্পূর্ণভাবে কাজ
করবে। পুরোনো মডেলগুলোতে আইওএস ২৭ সমর্থন করলেও জেনারেটিভ ফিল বা উন্নত ছবি
সম্পাদনার মতো ভারী কাজগুলোর জন্য পর্যাপ্ত প্রসেসিং ক্ষমতা থাকবে না।
সূত্র : techcrunch

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
অ্যাপলের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে (ডব্লিউডব্লিউডিসি) সিরির নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) রূপটি সবার নজর কাড়লেও চমক এখানেই শেষ নয়। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আইওএস ২৭ (iOS 27) আপডেটের মাধ্যমে আইফোনের পরিচিত অ্যাপগুলোতে অত্যন্ত নীরবে যুক্ত হচ্ছে বেশ কিছু কার্যকরী এআই ফিচার। বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে রেস্তোরাঁর বিল ভাগাভাগি করা, তথ্য ফাঁসের পর পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখা বা একঘেয়ে কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করার মতো বিষয়গুলো এখন আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য আরও সহজ হতে যাচ্ছে।
ইমেইল ও মেসেজে আসছে নতুন মাত্রা মেইল এবং মেসেজ অ্যাপে যুক্ত হচ্ছে দারুণ সব
বুদ্ধিমত্তা। মেইলের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারকারীর লেখার ধরন বুঝে
স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তর তৈরি করে দেবে। ফলে ক্যালেন্ডার ইনভাইট, মিটিংয়ের
অনুরোধ বা ছোটখাটো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাবে মাত্র এক ক্লিকেই। বড় কোনো ইমেইল
থ্রেড পড়ার সময় বাঁচিয়ে এআই পুরো আলোচনার একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ তৈরি করে দেবে
ব্যবহারকারীর জন্য। ইমেইল ড্রাফট করার সময় লেখার মেজাজ ঠিক আছে কি না তা যাচাই
করার পাশাপাশি কোনো ফাইল যুক্ত করতে ভুলে গেলে সেটিও মনে করিয়ে দেবে এই প্রযুক্তি।
অন্যদিকে, মেসেজ অ্যাপে স্মার্ট রিপ্লাই এবং স্প্যাম ফিল্টারিং
ব্যবস্থা আরও উন্নত হচ্ছে। মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে এটি ফিশিং বা প্রতারণামূলক
বার্তাগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে শনাক্ত করে ব্যবহারকারীকে সুরক্ষিত রাখবে।
স্মার্ট ফোকাস মোড এবং ছবি সম্পাদনা ফটোস অ্যাপে জেনারেটিভ এআইয়ের সাহায্যে ছবিতে থাকা
অবাঞ্ছিত কোনো অংশ মুছে ফেলা বা ছবির পেছনের দৃশ্য (ব্যাকগ্রাউন্ড) সম্প্রসারণ
করার মতো চমকপ্রদ সুবিধা পাওয়া যাবে। ব্যবহারকারীর ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ বা মুখের
স্বাভাবিক কথার মাধ্যমে খুব সহজেই নির্দিষ্ট ছবি খুঁজে বের করা সম্ভব হবে। এছাড়া
আইফোনের ফোকাস মোড ব্যবহারকারীর অবস্থান, সময় এবং
অ্যাপ ব্যবহারের ধরন বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বুঝে নেবে তিনি কখন কাজ করছেন,
ব্যায়াম করছেন নাকি ঘুমাচ্ছেন। সে অনুযায়ী আইফোন নিজেই নোটিফিকেশন
নিয়ন্ত্রণ করবে। এমনকি ব্যবহারকারীর নিত্যদিনের রুটিন বুঝে ব্লুটুথ সংযোগগুলোও আগে
থেকেই প্রস্তুত রাখবে ডিভাইসটি।
গোপনীয়তা এবং প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার অ্যাপল বরাবরই তথ্যের গোপনীয়তাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য
দেয়। তাই এই এআই ফিচারগুলোর যাবতীয় ডেটা প্রসেসিংয়ের কাজ সরাসরি ব্যবহারকারীর
ডিভাইসের ভেতরেই সম্পন্ন হবে, ক্লাউডে নয়। তবে এই উন্নত সুবিধাগুলো পাওয়ার জন্য
তুলনামূলক আধুনিক আইফোনের প্রয়োজন হবে। এ১৫ (A15) বায়োনিক চিপ
বা এর চেয়ে আধুনিক প্রসেসরযুক্ত আইফোনগুলোতে এই এআই ফিচারগুলো সম্পূর্ণভাবে কাজ
করবে। পুরোনো মডেলগুলোতে আইওএস ২৭ সমর্থন করলেও জেনারেটিভ ফিল বা উন্নত ছবি
সম্পাদনার মতো ভারী কাজগুলোর জন্য পর্যাপ্ত প্রসেসিং ক্ষমতা থাকবে না।
সূত্র : techcrunch

আপনার মতামত লিখুন