ফেনী পাইলট আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩টি কক্ষ থেকে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুরির ঘটনায় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর জেরে বিদ্যালয়টির ৪টি শ্রেণির পাঠদান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। রবিবার (২১ জুন) বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ সংক্রান্ত নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৯ জুন ভোরে পুরোনো ভবনের গ্রিল কেটে দুর্বৃত্তরা ভেতরে ঢোকে। তারা ৩টি শ্রেণিকক্ষ থেকে বৈদ্যুতিক তার, সুইচ, সকেট, সার্কিট ব্রেকার, মিটার ও পানির মোটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে যায়। এতে কক্ষগুলো বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি বিবেচনায় শিশু শ্রেণি, প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস স্থগিত রাখা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারাহ্ দিবা খানম বলেন, ‘বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ক্লাস নেওয়া সম্ভব নয়। সংস্কার কাজ চলছে, আশা করছি মঙ্গলবার (২৩ জুন) থেকে পাঠদান পুনরায় শুরু করা যাবে।’
এদিকে জেলার বড় এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির দুই দিন পার হলেও জেলা বা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিভাবক বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় বিদ্যালয় থেকে মাত্র কয়েক শ গজ দূরে হলেও তাদের কাউকে পাশে পাওয়া যায়নি।
ফেনী সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খালেদা পারভীন বলেন, দাপ্তরিক ব্যস্ততার কারণে তিনি যেতে পারেননি। তবে প্রধান শিক্ষককে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হৃষীকেশ শীল জানান, বিষয়টি তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মালামাল উদ্ধার ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
/

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
ফেনী পাইলট আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩টি কক্ষ থেকে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুরির ঘটনায় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর জেরে বিদ্যালয়টির ৪টি শ্রেণির পাঠদান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। রবিবার (২১ জুন) বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ সংক্রান্ত নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৯ জুন ভোরে পুরোনো ভবনের গ্রিল কেটে দুর্বৃত্তরা ভেতরে ঢোকে। তারা ৩টি শ্রেণিকক্ষ থেকে বৈদ্যুতিক তার, সুইচ, সকেট, সার্কিট ব্রেকার, মিটার ও পানির মোটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে যায়। এতে কক্ষগুলো বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি বিবেচনায় শিশু শ্রেণি, প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস স্থগিত রাখা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারাহ্ দিবা খানম বলেন, ‘বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ক্লাস নেওয়া সম্ভব নয়। সংস্কার কাজ চলছে, আশা করছি মঙ্গলবার (২৩ জুন) থেকে পাঠদান পুনরায় শুরু করা যাবে।’
এদিকে জেলার বড় এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির দুই দিন পার হলেও জেলা বা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিভাবক বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় বিদ্যালয় থেকে মাত্র কয়েক শ গজ দূরে হলেও তাদের কাউকে পাশে পাওয়া যায়নি।
ফেনী সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খালেদা পারভীন বলেন, দাপ্তরিক ব্যস্ততার কারণে তিনি যেতে পারেননি। তবে প্রধান শিক্ষককে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হৃষীকেশ শীল জানান, বিষয়টি তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মালামাল উদ্ধার ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
/

আপনার মতামত লিখুন