বিশ্বকাপের নকআউটে পৌঁছে গেল কলম্বিয়া। গতকাল সকালে তারা ১-০ গোলে হারিয়েছে কঙ্গোকে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন ড্যানিয়েল মুনোজ। একই ব্যবধানে পানামাকে হারিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। গোল করেছেন অ্যান্টে বুদিমির। পর্তুগালকে টপকে গ্রুপ কে থেকে নকআউটে গেল কলম্বিয়া। শেষ ম্যাচ তারা খেলবে পর্তুগালের সঙ্গেই।
জয়ের ফলে কলম্বিয়ার ৬ পয়েন্ট
হলো। প্রথম ম্যাচে তারা হারিয়েছিল উজবেকিস্তানকে। ফলে নকআউট নিশ্চিত করে তারা। কঙ্গো
থাকলো এক পয়েন্টেই। শেষ ম্যাচ জিতলে নকআউটে ওঠার সম্ভাবনা থাকছে।
গোটা ম্যাচেই কলম্বিয়া দাপটের
সঙ্গে খেলেছে। প্রচুর সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু কঙ্গোর গোলকিপার লিয়োনেল এমপাসিকে টপকে
কিছুতেই গোল করতে পারেনি তারা। জেমস রদ্রিগেজ, লুইস দিয়াজ এবং জন আরিয়াসের একের পর
এক প্রয়াস বাঁচিয়ে দেন এমপাসি।
অবশেষে গোল হয় ৭৬ মিনিটে। জুয়ান
কুইন্তেরোর পাস পান মুনোজ। তার নিচু শট কঙ্গোর এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলে ঢুকে
যায়।
ক্রোয়েশিয়ার জয়
বিরতিতে পরিবর্ত ফুটবলার হিসাবে
নেমেছিলেন বুদিমির। তিনি ৯ মিনিটের মধ্যে গোল করেন। ৩৪ বছর বয়সী ফুটবলারের এটাই বিশ্বকাপে
প্রথম গোল। জয়ের ফলে তিন পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ক্রোয়েশিয়া। তবে আগামী শনিবার শেষ
ম্যাচে ঘানাকে হারাতে পারলে প্রথম দুইয়ে শেষ করতে পারবে। পানামা প্রথম ম্যাচে হেরেছিল।
তারা এখনও প্রথম পয়েন্টের সন্ধানে রয়েছে। আগের ম্যাচে তারা ঘানার কাছে ০-১ গোলে হেরেছিল।
প্রথম দু’টি ম্যাচে চোট থাকা আদালবার্তো কারাসকিলাকে ছাড়াই নামতে হয়েছিল তাদের। তবে
২০১৮-র তুলনায় পানামার গোলপার্থক্য এ বার ভালো।
ইংল্যান্ডের ড্র
ইংল্যান্ডের কঠিন পরীক্ষা নিলো
ঘানা। আফ্রিকার দেশের জমাট ডিফেন্স ভাঙতেই পারলেন না হ্যারি কেনরা। প্রতি আক্রমণে উঠে
ঘানা কয়েক বার হানা দিয়েছে ইংরেজ ডিফেন্সে। তবে গোল করতে পারেনি কোনো দলই। ফুটবল দক্ষতার
পাশাপাশি দু’দলের ফুটবলারদের শারীরিক সক্ষমতার লড়াইও হল। গতিময় টাফ ফুটবলে কিছুটা এগিয়ে
ছিল ইংল্যান্ড। টমাস টুখেলের দল মাঝে মাঝে গতি কমিয়ে দিয়ে নিজেদের মধ্যে পাস খেলে খেলার
রাশ নেয়ার চেষ্টা করেছে। তাতে লাভ বিশেষ হয়নি। ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায় ঘানার বক্সে
কিছুটা বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহ্যাম এবং কেনের বোঝাপড়ায়
তৈরি হওয়া আক্রমণ হারিয়ে যায় ঘানার ডিফেন্ডারদের ভিড়ে। ইংরেজদের বক্সের মধ্যে জায়গাই
দিচ্ছিলেন না ঘানার ফুটবলারেরা। কেন, অ্যান্টনি গর্ডনেরা বল পেলেই দু’তিন জন ডিফেন্ডার
ঘিরে ফেলছিলেন। সেই জাল ভেদ করতে পারলেন না ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকারেরা। ঘানার বিরুদ্ধে
কখনওই চেনা ছন্দে দেখা গেল না ইংল্যান্ডকে।
রোনালদোর জোড়া গোল
লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে,
আর্লিং হালান্ড- বিশ্বকাপে দাপট দেখানোর প্রতিযোগিতায় কেউ বাকি ছিলেন না। পড়ে ছিলেন
শুধু ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। প্রথম ম্যাচে হতশ্রী পারফরম্যান্সের জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন।
দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল করে রোনালদো বুঝিয়ে দিলেন জোড়া গোল করে। এই দুই গোল হয়তো মেসিকেও
পাল্টা জবাব। বার্তা দিতে পারেন যে, তিনি ৪১ হলেও ফুরিয়ে যাননি। এখনও বিশ্বকাপে গোল
করার ক্ষমতা রাখেন। মঙ্গলবার উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে নকআউটের দৌড়ে ভালো ভাবে
টিকে থাকলো পর্তুগাল। জোড়া গোল করলেন রোনাল্ডো। শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র করলেই
নকআউট নিশ্চিত হয়ে যাবে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের নকআউটে পৌঁছে গেল কলম্বিয়া। গতকাল সকালে তারা ১-০ গোলে হারিয়েছে কঙ্গোকে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন ড্যানিয়েল মুনোজ। একই ব্যবধানে পানামাকে হারিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। গোল করেছেন অ্যান্টে বুদিমির। পর্তুগালকে টপকে গ্রুপ কে থেকে নকআউটে গেল কলম্বিয়া। শেষ ম্যাচ তারা খেলবে পর্তুগালের সঙ্গেই।
জয়ের ফলে কলম্বিয়ার ৬ পয়েন্ট
হলো। প্রথম ম্যাচে তারা হারিয়েছিল উজবেকিস্তানকে। ফলে নকআউট নিশ্চিত করে তারা। কঙ্গো
থাকলো এক পয়েন্টেই। শেষ ম্যাচ জিতলে নকআউটে ওঠার সম্ভাবনা থাকছে।
গোটা ম্যাচেই কলম্বিয়া দাপটের
সঙ্গে খেলেছে। প্রচুর সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু কঙ্গোর গোলকিপার লিয়োনেল এমপাসিকে টপকে
কিছুতেই গোল করতে পারেনি তারা। জেমস রদ্রিগেজ, লুইস দিয়াজ এবং জন আরিয়াসের একের পর
এক প্রয়াস বাঁচিয়ে দেন এমপাসি।
অবশেষে গোল হয় ৭৬ মিনিটে। জুয়ান
কুইন্তেরোর পাস পান মুনোজ। তার নিচু শট কঙ্গোর এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলে ঢুকে
যায়।
ক্রোয়েশিয়ার জয়
বিরতিতে পরিবর্ত ফুটবলার হিসাবে
নেমেছিলেন বুদিমির। তিনি ৯ মিনিটের মধ্যে গোল করেন। ৩৪ বছর বয়সী ফুটবলারের এটাই বিশ্বকাপে
প্রথম গোল। জয়ের ফলে তিন পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ক্রোয়েশিয়া। তবে আগামী শনিবার শেষ
ম্যাচে ঘানাকে হারাতে পারলে প্রথম দুইয়ে শেষ করতে পারবে। পানামা প্রথম ম্যাচে হেরেছিল।
তারা এখনও প্রথম পয়েন্টের সন্ধানে রয়েছে। আগের ম্যাচে তারা ঘানার কাছে ০-১ গোলে হেরেছিল।
প্রথম দু’টি ম্যাচে চোট থাকা আদালবার্তো কারাসকিলাকে ছাড়াই নামতে হয়েছিল তাদের। তবে
২০১৮-র তুলনায় পানামার গোলপার্থক্য এ বার ভালো।
ইংল্যান্ডের ড্র
ইংল্যান্ডের কঠিন পরীক্ষা নিলো
ঘানা। আফ্রিকার দেশের জমাট ডিফেন্স ভাঙতেই পারলেন না হ্যারি কেনরা। প্রতি আক্রমণে উঠে
ঘানা কয়েক বার হানা দিয়েছে ইংরেজ ডিফেন্সে। তবে গোল করতে পারেনি কোনো দলই। ফুটবল দক্ষতার
পাশাপাশি দু’দলের ফুটবলারদের শারীরিক সক্ষমতার লড়াইও হল। গতিময় টাফ ফুটবলে কিছুটা এগিয়ে
ছিল ইংল্যান্ড। টমাস টুখেলের দল মাঝে মাঝে গতি কমিয়ে দিয়ে নিজেদের মধ্যে পাস খেলে খেলার
রাশ নেয়ার চেষ্টা করেছে। তাতে লাভ বিশেষ হয়নি। ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায় ঘানার বক্সে
কিছুটা বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহ্যাম এবং কেনের বোঝাপড়ায়
তৈরি হওয়া আক্রমণ হারিয়ে যায় ঘানার ডিফেন্ডারদের ভিড়ে। ইংরেজদের বক্সের মধ্যে জায়গাই
দিচ্ছিলেন না ঘানার ফুটবলারেরা। কেন, অ্যান্টনি গর্ডনেরা বল পেলেই দু’তিন জন ডিফেন্ডার
ঘিরে ফেলছিলেন। সেই জাল ভেদ করতে পারলেন না ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকারেরা। ঘানার বিরুদ্ধে
কখনওই চেনা ছন্দে দেখা গেল না ইংল্যান্ডকে।
রোনালদোর জোড়া গোল
লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে,
আর্লিং হালান্ড- বিশ্বকাপে দাপট দেখানোর প্রতিযোগিতায় কেউ বাকি ছিলেন না। পড়ে ছিলেন
শুধু ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। প্রথম ম্যাচে হতশ্রী পারফরম্যান্সের জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন।
দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল করে রোনালদো বুঝিয়ে দিলেন জোড়া গোল করে। এই দুই গোল হয়তো মেসিকেও
পাল্টা জবাব। বার্তা দিতে পারেন যে, তিনি ৪১ হলেও ফুরিয়ে যাননি। এখনও বিশ্বকাপে গোল
করার ক্ষমতা রাখেন। মঙ্গলবার উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে নকআউটের দৌড়ে ভালো ভাবে
টিকে থাকলো পর্তুগাল। জোড়া গোল করলেন রোনাল্ডো। শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র করলেই
নকআউট নিশ্চিত হয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন