মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কোলা গ্রামে এখন শুধুই কান্নার রোল। ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও ইলিয়াস মোল্লাকে হারানোর স্তব্ধতা কাটেনি পরিবারটিতে। শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে কোলা অটোস্ট্যান্ডে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় ইলিয়াস ও এছাক মোল্লাকে। পরদিন শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ইলিয়াস।
হত্যাকাণ্ডের এই নৃশংসতায় পুরো পরিবারে নেমে এসেছে অন্ধকারের ছায়া। নিহতের স্ত্রী লিপি বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমার স্বামী কোনো অপরাধ করেনি। তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে মারা হলো। আমি থানায় মামলা করেছি; আমি খুনিদের ফাঁসি চাই।”
নিহতের বৃদ্ধ বাবা ইদ্রীস মোল্লা বলেন, “এই বুড়ো বয়সে ছেলের লাশ কাঁধে নিতে হলো। আমার সোনার টুকরো ছেলেকে যারা কেড়ে নিল, সরকারের কাছে তাদের ফাঁসি চাই।” নিহতের বোন রেহানা খাতুন ও দুই মেয়ে সাইমা ও সামিয়াও এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
হত্যাকাণ্ডের পরদিনই নিহতের স্ত্রী লিপি আক্তার বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় একটি মামলা করেন। মামলা হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি বিপ্লব এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রওশন আরা রুসিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মিনহাজুল আলম জানান, ইলিয়াস মোল্লা হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
/

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কোলা গ্রামে এখন শুধুই কান্নার রোল। ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও ইলিয়াস মোল্লাকে হারানোর স্তব্ধতা কাটেনি পরিবারটিতে। শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে কোলা অটোস্ট্যান্ডে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় ইলিয়াস ও এছাক মোল্লাকে। পরদিন শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ইলিয়াস।
হত্যাকাণ্ডের এই নৃশংসতায় পুরো পরিবারে নেমে এসেছে অন্ধকারের ছায়া। নিহতের স্ত্রী লিপি বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমার স্বামী কোনো অপরাধ করেনি। তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে মারা হলো। আমি থানায় মামলা করেছি; আমি খুনিদের ফাঁসি চাই।”
নিহতের বৃদ্ধ বাবা ইদ্রীস মোল্লা বলেন, “এই বুড়ো বয়সে ছেলের লাশ কাঁধে নিতে হলো। আমার সোনার টুকরো ছেলেকে যারা কেড়ে নিল, সরকারের কাছে তাদের ফাঁসি চাই।” নিহতের বোন রেহানা খাতুন ও দুই মেয়ে সাইমা ও সামিয়াও এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
হত্যাকাণ্ডের পরদিনই নিহতের স্ত্রী লিপি আক্তার বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় একটি মামলা করেন। মামলা হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি বিপ্লব এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রওশন আরা রুসিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে অন্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মিনহাজুল আলম জানান, ইলিয়াস মোল্লা হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন