৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদে পূর্বের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আইনের ব্যত্যয় ঘটায় আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পুনরায় স্বচ্ছভাবে মেধাতালিকা প্রকাশ করে ফল প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার
(২৫ জুন) বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার এবং বিচারপতি উর্মি রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট
বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন
কবির পল্লব।
আদেশের পর রিটকারী
পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব সাংবাদিকদের বলেন, "৪৩তম বিসিএসের
নন-ক্যাডার পদে যে নিয়োগটি দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াটি আইন অনুযায়ী হয়নি বলে আদালত
পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। এই নিয়োগটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়নি এবং আইনের স্পষ্ট ব্যত্যয়
ঘটানো হয়েছে। তাই মহামান্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে— আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পুনরায়
এই নন-ক্যাডার নিয়োগ প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে এবং যথাযথ মেধাতালিকা প্রকাশ করে সম্পন্ন
করতে হবে।"
আইনজীবী সূত্রে
জানা গেছে, ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদের নিয়োগে বৈষম্য ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রথমে
মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মো. মারুফ হোসেন, মো. হাসান সরদার ও মো. ফারুকুল ইসলামসহ
৫০০ জন চাকরিপ্রার্থী বাদী হয়ে হাইকোর্টে একটি রিট মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এই
মামলার সঙ্গে আরও ২৭৩ জন আবেদনকারী যুক্ত হলে মোট রিটকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৭৩ জনে।
এই রিট আবেদনের
পরিপ্রেক্ষিতে এর আগে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছিলেন। সেই রুলে— ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত
ফলাফল প্রকাশ না করা পর্যন্ত যত নন-ক্যাডার শূন্যপদ তৈরি হবে, তার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা
তৈরি করে ৪৩তম বিসিএসে উত্তীর্ণ নন-ক্যাডার প্রার্থীদের মধ্য থেকে কেন নিয়োগের নির্দেশ
দেওয়া হবে না, তা সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই রিটের চূড়ান্ত
শুনানি শেষেই আজ এই ঐতিহাসিক আদেশ দিলেন আদালত।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদে পূর্বের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আইনের ব্যত্যয় ঘটায় আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পুনরায় স্বচ্ছভাবে মেধাতালিকা প্রকাশ করে ফল প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার
(২৫ জুন) বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার এবং বিচারপতি উর্মি রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট
বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন
কবির পল্লব।
আদেশের পর রিটকারী
পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব সাংবাদিকদের বলেন, "৪৩তম বিসিএসের
নন-ক্যাডার পদে যে নিয়োগটি দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াটি আইন অনুযায়ী হয়নি বলে আদালত
পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। এই নিয়োগটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়নি এবং আইনের স্পষ্ট ব্যত্যয়
ঘটানো হয়েছে। তাই মহামান্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে— আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পুনরায়
এই নন-ক্যাডার নিয়োগ প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে এবং যথাযথ মেধাতালিকা প্রকাশ করে সম্পন্ন
করতে হবে।"
আইনজীবী সূত্রে
জানা গেছে, ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদের নিয়োগে বৈষম্য ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রথমে
মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মো. মারুফ হোসেন, মো. হাসান সরদার ও মো. ফারুকুল ইসলামসহ
৫০০ জন চাকরিপ্রার্থী বাদী হয়ে হাইকোর্টে একটি রিট মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এই
মামলার সঙ্গে আরও ২৭৩ জন আবেদনকারী যুক্ত হলে মোট রিটকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৭৩ জনে।
এই রিট আবেদনের
পরিপ্রেক্ষিতে এর আগে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছিলেন। সেই রুলে— ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত
ফলাফল প্রকাশ না করা পর্যন্ত যত নন-ক্যাডার শূন্যপদ তৈরি হবে, তার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা
তৈরি করে ৪৩তম বিসিএসে উত্তীর্ণ নন-ক্যাডার প্রার্থীদের মধ্য থেকে কেন নিয়োগের নির্দেশ
দেওয়া হবে না, তা সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই রিটের চূড়ান্ত
শুনানি শেষেই আজ এই ঐতিহাসিক আদেশ দিলেন আদালত।

আপনার মতামত লিখুন