রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ঝালমুড়ির প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে লুৎফর বিশ্বাস (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের জোনা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার লুৎফর বিশ্বাস পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা। তিনি জোনা গ্রামের মৃত আজাহার বিশ্বাসের ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত লুৎফর বিশ্বাস পূর্বপরিচয়ের সুবাদে ওই শিশুকে মাঝেমধ্যেই ঝালমুড়ি খেতে দিতেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে ঝালমুড়ি দেওয়ার কথা বলে তিনি শিশুটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে ঘরের ভেতর শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য শিশুটিকে ভয়ভীতিও দেখানো হয়।
পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে এলে গোসল করানোর সময় মা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন দেখতে পান। পরে শিশুটি বিস্তারিত জানালে স্বজনেরা তাকে প্রথমে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
/

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ঝালমুড়ির প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে লুৎফর বিশ্বাস (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের জোনা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার লুৎফর বিশ্বাস পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা। তিনি জোনা গ্রামের মৃত আজাহার বিশ্বাসের ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত লুৎফর বিশ্বাস পূর্বপরিচয়ের সুবাদে ওই শিশুকে মাঝেমধ্যেই ঝালমুড়ি খেতে দিতেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে ঝালমুড়ি দেওয়ার কথা বলে তিনি শিশুটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে ঘরের ভেতর শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য শিশুটিকে ভয়ভীতিও দেখানো হয়।
পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে এলে গোসল করানোর সময় মা তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন দেখতে পান। পরে শিশুটি বিস্তারিত জানালে স্বজনেরা তাকে প্রথমে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
/

আপনার মতামত লিখুন