চাকরিতে পুনর্বহালের আশ্বাসে ২ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করে কাজে ফিরেছেন বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত ৬৬ জন কর্মচারী। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১টায় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমদ্দার আন্দোলনকারীদের চাকরিতে বহাল রাখার আশ্বাস দিলে তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন। এরপর তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ের গেটের তালা খুলে দিয়ে সবাই কাজে যোগ দেন।
চাকরিচ্যুতির আশঙ্কায় বুধবার (১ জুলাই) সকাল থেকে টানা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন এই কর্মচারীরা। আজ দ্বিতীয় দিনের মতো তারা তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজ ও চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
আন্দোলনকারী কর্মচারীদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুরোনোদের বাদ দিয়ে নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। এমন আভাস পেয়েই তারা আন্দোলনে নামেন।
কর্মচারীদের প্রতিনিধি কার্জন শেখ বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক স্যার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে কোনো নতুন লোক নিয়োগ দেওয়া হবে না। এই আশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা কাজ শুরু করছি। তবে আমাদের দাবি পূরণ না হলে বা কোনো ব্যত্যয় ঘটলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”
হাসপাতালের অর্থপেডিক কনসালট্যান্ট ডা. মিরাজুল করিম বলেন, “আউটসোর্সিং কর্মচারীরা হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সেবা কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাদের ছাড়া হাসপাতাল পরিচালনা করা কঠিন। আশা করি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।”
জানতে চাইলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমদ্দার বলেন, “আউটসোর্সিং কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবির বিষয়ে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চিঠিপত্র আদান-প্রদান করেছি। তারা যেন চাকরিতে বহাল থাকেন এবং হাসপাতালের কাজের পরিবেশ স্বাভাবিক থাকে, সেই চেষ্টা চলছে।”
/

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
চাকরিতে পুনর্বহালের আশ্বাসে ২ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করে কাজে ফিরেছেন বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত ৬৬ জন কর্মচারী। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১টায় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমদ্দার আন্দোলনকারীদের চাকরিতে বহাল রাখার আশ্বাস দিলে তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন। এরপর তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ের গেটের তালা খুলে দিয়ে সবাই কাজে যোগ দেন।
চাকরিচ্যুতির আশঙ্কায় বুধবার (১ জুলাই) সকাল থেকে টানা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন এই কর্মচারীরা। আজ দ্বিতীয় দিনের মতো তারা তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজ ও চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
আন্দোলনকারী কর্মচারীদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা উপেক্ষা করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুরোনোদের বাদ দিয়ে নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। এমন আভাস পেয়েই তারা আন্দোলনে নামেন।
কর্মচারীদের প্রতিনিধি কার্জন শেখ বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক স্যার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে কোনো নতুন লোক নিয়োগ দেওয়া হবে না। এই আশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা কাজ শুরু করছি। তবে আমাদের দাবি পূরণ না হলে বা কোনো ব্যত্যয় ঘটলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”
হাসপাতালের অর্থপেডিক কনসালট্যান্ট ডা. মিরাজুল করিম বলেন, “আউটসোর্সিং কর্মচারীরা হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সেবা কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাদের ছাড়া হাসপাতাল পরিচালনা করা কঠিন। আশা করি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।”
জানতে চাইলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমদ্দার বলেন, “আউটসোর্সিং কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবির বিষয়ে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চিঠিপত্র আদান-প্রদান করেছি। তারা যেন চাকরিতে বহাল থাকেন এবং হাসপাতালের কাজের পরিবেশ স্বাভাবিক থাকে, সেই চেষ্টা চলছে।”
/

আপনার মতামত লিখুন