বরিশালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে আলমগীর সিকদার (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশু ও ভুক্তভোগী কিশোরীর ভরণপোষণের দায়িত্ব জেলা প্রশাসনকে নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর সিকদার বরিশালের উজিরপুর উপজেলার পূর্ব কেশবকাঠি গ্রামের মৃত আবদুর রশিদ সিকদারের ছেলে।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ও আসামি আলমগীর প্রতিবেশী। ২০২৩ সালের ৩ মার্চ নবম শ্রেণি পড়ুয়া ওই মাদ্রাসাছাত্রী আলমগীরের বাড়িতে যায়। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আলমগীর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং পরে একটি সন্তানের জন্ম দেয়। বর্তমানে ওই শিশুর বয়স প্রায় ৩ বছর।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ কে এম সামসুল হক বলেন, এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মে ভুক্তভোগীর বাবা উজিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৩১ মে আলমগীর সিকদারকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।
আদালত ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও চিকিৎসা প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে আলমগীরকে দোষী সাব্যস্ত করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে পিপি সামসুল হক বলেন, "এই রায়ের মাধ্যমে জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।".
\

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
বরিশালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে আলমগীর সিকদার (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশু ও ভুক্তভোগী কিশোরীর ভরণপোষণের দায়িত্ব জেলা প্রশাসনকে নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর সিকদার বরিশালের উজিরপুর উপজেলার পূর্ব কেশবকাঠি গ্রামের মৃত আবদুর রশিদ সিকদারের ছেলে।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ও আসামি আলমগীর প্রতিবেশী। ২০২৩ সালের ৩ মার্চ নবম শ্রেণি পড়ুয়া ওই মাদ্রাসাছাত্রী আলমগীরের বাড়িতে যায়। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আলমগীর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে কিশোরীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং পরে একটি সন্তানের জন্ম দেয়। বর্তমানে ওই শিশুর বয়স প্রায় ৩ বছর।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ কে এম সামসুল হক বলেন, এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মে ভুক্তভোগীর বাবা উজিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৩১ মে আলমগীর সিকদারকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।
আদালত ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও চিকিৎসা প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে আলমগীরকে দোষী সাব্যস্ত করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে পিপি সামসুল হক বলেন, "এই রায়ের মাধ্যমে জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।".
\

আপনার মতামত লিখুন