সংবাদ

জামালপুর জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ


প্রতিনিধি, জামালপুর
প্রতিনিধি, জামালপুর
প্রকাশ: ৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম

জামালপুর জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ
ছবি : সংগৃহীত

জামালপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবুর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা পরিষদের ঠিকাদার ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ঠিকাদারেরা অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের অধীনে বিভিন্ন উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও গত আড়াই বছর ধরে তারা কোনো বিল পাচ্ছেন না। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিল আটকে রেখে তাদের নানাভাবে হয়রানি করছেন। বকেয়া টাকার জন্য বছরের পর বছর জেলা পরিষদে ঘুরেও কোনো সুরাহা মিলছে না।

ঠিকাদারেরা আরও জানান, ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও উন্নয়নমূলক কাজের চেক এখনো পরিশোধ করা হয়নি। বকেয়া বিল না পাওয়ায় তারা বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এ অবস্থায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন কাজ ও সেগুলোর বিল পাওয়া নিয়ে তারা চরম হতাশায় ভুগছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ঠিকাদারেরা দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধ এবং হয়রানি বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবুর তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


জামালপুর জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

জামালপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবুর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা পরিষদের ঠিকাদার ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ঠিকাদারেরা অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের অধীনে বিভিন্ন উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও গত আড়াই বছর ধরে তারা কোনো বিল পাচ্ছেন না। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিল আটকে রেখে তাদের নানাভাবে হয়রানি করছেন। বকেয়া টাকার জন্য বছরের পর বছর জেলা পরিষদে ঘুরেও কোনো সুরাহা মিলছে না।

ঠিকাদারেরা আরও জানান, ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও উন্নয়নমূলক কাজের চেক এখনো পরিশোধ করা হয়নি। বকেয়া বিল না পাওয়ায় তারা বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এ অবস্থায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন কাজ ও সেগুলোর বিল পাওয়া নিয়ে তারা চরম হতাশায় ভুগছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ঠিকাদারেরা দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধ এবং হয়রানি বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বাবুর তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত