কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদ্রাসা চাপা পড়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ শিশুর মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। তবে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাৎক্ষণিকভাবে ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টার দিকে ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ-০৩ ব্লকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
ক্যাম্পের বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে মাদ্রাসাটির ওপর পড়ে। সে সময় ভেতরে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছিল। হঠাৎ পাহাড়ধসে মাদ্রাসাটি মাটির নিচে চাপা পড়লে শিক্ষার্থীরা আটকা পড়ে। ক্যাম্পের এক স্বেচ্ছাসেবক জানান, বিকেল পৌনে ৩টা পর্যন্ত তারা পাঁচ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে। মাটির নিচে আরও শিক্ষার্থী চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ আহতদের উদ্ধার করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫-এর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ৪ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতরা হলেন- রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), উম্মে সালমা (১২) ও উমাইসা বিবি (১৩)। আহতরা হলেন- আসরা (৯), বেগম জান (১৫) ও ফারেসা বিবি (১২)।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধারের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। আমি নিজে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।’ উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শিশু আটকা পড়ে থাকায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদ্রাসা চাপা পড়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ শিশুর মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। তবে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাৎক্ষণিকভাবে ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর সোয়া ১টার দিকে ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ-০৩ ব্লকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
ক্যাম্পের বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে মাদ্রাসাটির ওপর পড়ে। সে সময় ভেতরে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছিল। হঠাৎ পাহাড়ধসে মাদ্রাসাটি মাটির নিচে চাপা পড়লে শিক্ষার্থীরা আটকা পড়ে। ক্যাম্পের এক স্বেচ্ছাসেবক জানান, বিকেল পৌনে ৩টা পর্যন্ত তারা পাঁচ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে। মাটির নিচে আরও শিক্ষার্থী চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ আহতদের উদ্ধার করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫-এর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ৪ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতরা হলেন- রাশিদা বেগম (১৩), উম্মে নেজাতুল (১৩), উম্মে সালমা (১২) ও উমাইসা বিবি (১৩)। আহতরা হলেন- আসরা (৯), বেগম জান (১৫) ও ফারেসা বিবি (১২)।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধারের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। আমি নিজে ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।’ উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।
উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শিশু আটকা পড়ে থাকায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/

আপনার মতামত লিখুন