নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহাসিক পানাম নগরীর প্রবেশদ্বারে ধ্বংস করে দেওয়া প্রাচীন সেতুটি আগের আদলে পুনর্নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে পানাম নগরীর সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই দাবি জানায় ‘সোনারগাঁয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটি’।
সংগঠনের আহ্বায়ক কবি ও প্রাবন্ধিক শাহেদ কায়েসের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পানাম নগরীর প্রবেশদ্বারে একটি ছোট কিন্তু স্থাপত্যশৈলীপূর্ণ প্রাচীন সেতু ছিল। ২০০১ সালের পর স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ঐতিহ্যবাহী এই সেতুটি ভেঙে ফেলে। সেতুটি পানাম নগরীর ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। নগরীর হারানো জৌলুস ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে এই প্রাচীন সেতুটি দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা জরুরি।
সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন লেখক ও সাংবাদিক রবিউল হুসাইন, আরিফুর রহমান, কবি রহমান মুজিব, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি আসমা আখতারী, কবি মোয়াজ্জেনুল হক, মোফাখখার সাগর, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর শংকর প্রকাশ, সাংবাদিক বিল্লাল হোসেন, সুমন আল হাসান ও প্রকৌশলী বাবুল মোল্লা প্রমুখ।
বক্তারা আরও বলেন, পানাম নগরী বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হতে পারত, কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এর অনেক সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে। ভেঙে ফেলা সেতুটি আগের নকশা অনুযায়ী পুনর্নির্মাণ করলে পর্যটকদের জন্য তা আকর্ষণীয় হবে এবং ইতিহাসের দায়মুক্তি ঘটবে।
\

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহাসিক পানাম নগরীর প্রবেশদ্বারে ধ্বংস করে দেওয়া প্রাচীন সেতুটি আগের আদলে পুনর্নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে পানাম নগরীর সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এই দাবি জানায় ‘সোনারগাঁয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ কমিটি’।
সংগঠনের আহ্বায়ক কবি ও প্রাবন্ধিক শাহেদ কায়েসের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পানাম নগরীর প্রবেশদ্বারে একটি ছোট কিন্তু স্থাপত্যশৈলীপূর্ণ প্রাচীন সেতু ছিল। ২০০১ সালের পর স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ঐতিহ্যবাহী এই সেতুটি ভেঙে ফেলে। সেতুটি পানাম নগরীর ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। নগরীর হারানো জৌলুস ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে এই প্রাচীন সেতুটি দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা জরুরি।
সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন লেখক ও সাংবাদিক রবিউল হুসাইন, আরিফুর রহমান, কবি রহমান মুজিব, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি আসমা আখতারী, কবি মোয়াজ্জেনুল হক, মোফাখখার সাগর, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর শংকর প্রকাশ, সাংবাদিক বিল্লাল হোসেন, সুমন আল হাসান ও প্রকৌশলী বাবুল মোল্লা প্রমুখ।
বক্তারা আরও বলেন, পানাম নগরী বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হতে পারত, কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এর অনেক সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে। ভেঙে ফেলা সেতুটি আগের নকশা অনুযায়ী পুনর্নির্মাণ করলে পর্যটকদের জন্য তা আকর্ষণীয় হবে এবং ইতিহাসের দায়মুক্তি ঘটবে।
\

আপনার মতামত লিখুন