সংবাদ

নির্ধারিত সময়ে অমীমাংসিত ইংল্যান্ড-নরওয়ে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৫ এএম

নির্ধারিত সময়ে অমীমাংসিত ইংল্যান্ড-নরওয়ে

মিয়ামি গার্ডেনসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ কোয়ার্টার-ফাইনালে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের মধ্যকার লড়াই নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে।

এর ফলে ম্যাচটি এখন অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে। শুরুতে বলের দখলে আধিপত্য দেখালেও ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকাররা প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্ট করেন। অন্যদিকে ধীরে ধীরে ম্যাচে ছন্দ ফিরে পায় নরওয়ে। ম্যাচের ৩৪তম মিনিটে বাঁ দিক থেকে নেওয়া আন্দ্রেয়াস স্কিয়েলদেরুপের এক দুর্দান্ত শটে এগিয়ে যায় নরওয়ে। গোলটি সরাসরি জালের ওপরের কোণে আশ্রয় নেয়।
​পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের শেষ দিকে অ্যান্থনি গর্ডনের দেওয়া নিখুঁত স্কয়ার পাস থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে জুড বেলিংহ্যাম জোরালো বাঁ-পায়ের শটে সমতা ফেরান। এরপর হ্যারি কেইন বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে নরওয়ে ফের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। সে সময় আন্দ্রেয়াস স্কিয়েলদেরুপের কর্নার থেকে আসা বল প্যাট্রিক বার্গের পায়ে পড়লে গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড তা ঠেকিয়ে দেন। তবে ফিরতি বলে লিও হেগেম গোল করলে নরওয়ে এগিয়ে যায়।
​গোলটির পরই মাঠে তীব্র প্রতিবাদ জানান ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা। তাদের দাবি ছিল, আরলিং হালান্ড বক্সের ভেতরে ইংল্যান্ডের এক খেলোয়াড়কে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে মাঠের রেফারি ভিএআর চেক করেন। ভিএআর দেখে ফাউলের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় রেফারি নরওয়ের সেই গোলটি বাতিল ঘোষণা করেন।
এরপর নির্ধারিত সময়ের বাকি অংশে দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালালেও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয়। ফলে ১-১ সমতা নিয়েই ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬


নির্ধারিত সময়ে অমীমাংসিত ইংল্যান্ড-নরওয়ে

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image

মিয়ামি গার্ডেনসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ কোয়ার্টার-ফাইনালে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের মধ্যকার লড়াই নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে।

এর ফলে ম্যাচটি এখন অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে। শুরুতে বলের দখলে আধিপত্য দেখালেও ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকাররা প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্ট করেন। অন্যদিকে ধীরে ধীরে ম্যাচে ছন্দ ফিরে পায় নরওয়ে। ম্যাচের ৩৪তম মিনিটে বাঁ দিক থেকে নেওয়া আন্দ্রেয়াস স্কিয়েলদেরুপের এক দুর্দান্ত শটে এগিয়ে যায় নরওয়ে। গোলটি সরাসরি জালের ওপরের কোণে আশ্রয় নেয়।
​পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের শেষ দিকে অ্যান্থনি গর্ডনের দেওয়া নিখুঁত স্কয়ার পাস থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে জুড বেলিংহ্যাম জোরালো বাঁ-পায়ের শটে সমতা ফেরান। এরপর হ্যারি কেইন বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে নরওয়ে ফের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। সে সময় আন্দ্রেয়াস স্কিয়েলদেরুপের কর্নার থেকে আসা বল প্যাট্রিক বার্গের পায়ে পড়লে গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড তা ঠেকিয়ে দেন। তবে ফিরতি বলে লিও হেগেম গোল করলে নরওয়ে এগিয়ে যায়।
​গোলটির পরই মাঠে তীব্র প্রতিবাদ জানান ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা। তাদের দাবি ছিল, আরলিং হালান্ড বক্সের ভেতরে ইংল্যান্ডের এক খেলোয়াড়কে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে মাঠের রেফারি ভিএআর চেক করেন। ভিএআর দেখে ফাউলের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় রেফারি নরওয়ের সেই গোলটি বাতিল ঘোষণা করেন।
এরপর নির্ধারিত সময়ের বাকি অংশে দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালালেও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয়। ফলে ১-১ সমতা নিয়েই ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত