সংবাদ

পদত্যাগ দাবির প্রতিক্রিয়ায় সংসদে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম

পদত্যাগ দাবির প্রতিক্রিয়ায় সংসদে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার ভুল প্রশ্নের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তবে প্রশ্ন তৈরির দায় আগের সরকারের মডারেটরের বলে তিনি দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এর আগে সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রশ্নপত্রে ভুল ও কঠিন প্রশ্নের প্রতিবাদে এবং বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।

শিক্ষামন্ত্রী অধিবেশনে স্পষ্ট করে বলেন, ‘পদার্থবিজ্ঞানের ভুল দুটি প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি ইতোমধ্যে একটি গণবিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে।’

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্ন ভুল হয়েছিল। আমরা দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস। আগের কোয়েশ্চেন মডারেটরই প্রশ্ন প্রণয়ন করেছিল।’

স্পিকারের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনি জানেন যে প্রশ্ন মডারেট করতে হলে এই প্রক্রিয়া দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। আমরা এসে কোনো প্রশ্ন তৈরি করিনি। বিগত সরকারের যে মডারেটর ছিল তারাই এই প্রশ্ন করেছে। তবুও, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি যে ফিজিক্সের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে আমরা পূর্ণ নম্বর দিয়ে দেব।’

মন্ত্রী জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়েছিল। পরীক্ষা চলাকালে সারাদিন সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তাদের সবার মূল্যায়ন অনুযায়ী, পরীক্ষা সার্বিকভাবে ভালো হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মাঠে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় কিছুটা অসুবিধা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রটিতে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, এক পরীক্ষার্থীর পোশাক ভিজে যাওয়ায় তাকে বাড়ি থেকে পোশাক এনে পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হয়। পরে তার পরীক্ষা এক ঘণ্টা বিলম্বে নেওয়া হয় এবং সে অনুযায়ী পরীক্ষার সময়ও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

শিক্ষামন্ত্রীর এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে চলমান বিক্ষোভ নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হলেও শিক্ষার্থীদের পদত্যাগ দাবি এখনো বহাল রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬


পদত্যাগ দাবির প্রতিক্রিয়ায় সংসদে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার ভুল প্রশ্নের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তবে প্রশ্ন তৈরির দায় আগের সরকারের মডারেটরের বলে তিনি দাবি করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এর আগে সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রশ্নপত্রে ভুল ও কঠিন প্রশ্নের প্রতিবাদে এবং বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।

শিক্ষামন্ত্রী অধিবেশনে স্পষ্ট করে বলেন, ‘পদার্থবিজ্ঞানের ভুল দুটি প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি ইতোমধ্যে একটি গণবিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে।’

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্ন ভুল হয়েছিল। আমরা দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস। আগের কোয়েশ্চেন মডারেটরই প্রশ্ন প্রণয়ন করেছিল।’

স্পিকারের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনি জানেন যে প্রশ্ন মডারেট করতে হলে এই প্রক্রিয়া দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। আমরা এসে কোনো প্রশ্ন তৈরি করিনি। বিগত সরকারের যে মডারেটর ছিল তারাই এই প্রশ্ন করেছে। তবুও, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি যে ফিজিক্সের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে আমরা পূর্ণ নম্বর দিয়ে দেব।’

মন্ত্রী জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিয়েছিল। পরীক্ষা চলাকালে সারাদিন সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তাদের সবার মূল্যায়ন অনুযায়ী, পরীক্ষা সার্বিকভাবে ভালো হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মাঠে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় কিছুটা অসুবিধা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রটিতে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, এক পরীক্ষার্থীর পোশাক ভিজে যাওয়ায় তাকে বাড়ি থেকে পোশাক এনে পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হয়। পরে তার পরীক্ষা এক ঘণ্টা বিলম্বে নেওয়া হয় এবং সে অনুযায়ী পরীক্ষার সময়ও বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

শিক্ষামন্ত্রীর এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে চলমান বিক্ষোভ নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হলেও শিক্ষার্থীদের পদত্যাগ দাবি এখনো বহাল রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত