সংবাদ

জনবল সংকটে বন্ধ কোটি টাকার ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিক


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম

জনবল সংকটে বন্ধ কোটি টাকার ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিক
জনবল ও বাজেট সংকটে ব্যাহত সেবা কার্যক্রম। ছবি : সংবাদ

প্রান্তিক খামারিদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকারের নেওয়া ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক’ (এমভিসি) ঝিনাইদহের মহেশপুরে মুখ থুবড়ে পড়েছে। কোটি টাকার অত্যাধুনিক সরঞ্জামসহ গাড়ি সচল থাকলেও জনবল সংকট, বাজেট স্বল্পতা ও প্রশাসনিক জটিলতায় এর কার্যক্রম নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না। ফলে উপজেলার হাজারো প্রান্তিক খামারি সরকারি এই বিশেষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এলডিডিপি) আওতায় এই ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকটি সরবরাহ করা হয়। এর মাধ্যমে পশুর রোগ নির্ণয়, অস্ত্রোপচার, কৃত্রিম প্রজনন ও খামারিদের পরামর্শ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুমোদিত ১১টি পদের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ৪ জন কর্মরত আছেন। গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় প্রত্যন্ত এলাকায় সেবা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কে. এম. আসাদুজ্জামান বলেন, “আমি যোগদানের পর নাটিমা ইউনিয়নে একদিন এই ক্লিনিকে সেবা দেওয়া হয়েছে। তবে গাড়ির জ্বালানি খরচ ও জনবল ব্যবস্থাপনায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এটি নিয়মিত চালু করা সম্ভব হবে।” ২০২৬ সালের জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থায়ী বাজেটের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

খামারিরা জানান, গবাদিপশু অসুস্থ হলে দূর-দূরান্ত থেকে উপজেলা সদরে নিয়ে আসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য। ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকটি নিয়মিত চালু থাকলে বাড়িতে বসেই উন্নত চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হতো। উপজেলার প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে এই সেবা দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় খামারি ও সংশ্লিষ্টরা।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


জনবল সংকটে বন্ধ কোটি টাকার ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিক

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রান্তিক খামারিদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকারের নেওয়া ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক’ (এমভিসি) ঝিনাইদহের মহেশপুরে মুখ থুবড়ে পড়েছে। কোটি টাকার অত্যাধুনিক সরঞ্জামসহ গাড়ি সচল থাকলেও জনবল সংকট, বাজেট স্বল্পতা ও প্রশাসনিক জটিলতায় এর কার্যক্রম নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না। ফলে উপজেলার হাজারো প্রান্তিক খামারি সরকারি এই বিশেষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এলডিডিপি) আওতায় এই ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকটি সরবরাহ করা হয়। এর মাধ্যমে পশুর রোগ নির্ণয়, অস্ত্রোপচার, কৃত্রিম প্রজনন ও খামারিদের পরামর্শ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনুমোদিত ১১টি পদের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ৪ জন কর্মরত আছেন। গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় প্রত্যন্ত এলাকায় সেবা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কে. এম. আসাদুজ্জামান বলেন, “আমি যোগদানের পর নাটিমা ইউনিয়নে একদিন এই ক্লিনিকে সেবা দেওয়া হয়েছে। তবে গাড়ির জ্বালানি খরচ ও জনবল ব্যবস্থাপনায় কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এটি নিয়মিত চালু করা সম্ভব হবে।” ২০২৬ সালের জুনে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থায়ী বাজেটের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

খামারিরা জানান, গবাদিপশু অসুস্থ হলে দূর-দূরান্ত থেকে উপজেলা সদরে নিয়ে আসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও কষ্টসাধ্য। ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকটি নিয়মিত চালু থাকলে বাড়িতে বসেই উন্নত চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হতো। উপজেলার প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে এই সেবা দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় খামারি ও সংশ্লিষ্টরা।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত