সংবাদ

কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর হানা, পর্যটকদের ছুটাছুটি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর হানা, পর্যটকদের ছুটাছুটি
ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে আঘাত হেনেছে টর্নেডো। এতে সৈকতে পর্যটকদের জন্য রাখা অর্ধশতাধিক চেয়ার ও ছাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টর্নেডোর আঘাতে পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে এই টর্নেডো আঘাত হানে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন থেকে পাঁচ মিনিটের মতো স্থায়ী ছিল এই জলস্তম্ভ। এ সময় সুগন্ধা পয়েন্টে থাকা পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। পর্যটকেরা ছোটাছুটি শুরু করেন।

তবে টর্নেডোর আঘাতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। অনেক পর্যটক আতঙ্কিত না হয়ে বরং জলস্তম্ভের ছবি ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন।

কক্সবাজার কিটকট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সাগর থেকে ধীরে ধীরে বালুচরের দিকে এগোতে থাকে টর্নেডো। বেলা পৌনে তিনটার দিকে এটি সৈকতে আঘাত হানে। টর্নেডোর আঘাতে সৈকতে থাকা ৫২টি কাঠের চেয়ার ও ৬১টি ছাতা ভেঙে গেছে।'

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে টর্নেডো বা জলস্তম্ভ দেখা যায় কদাচিৎ। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমকালে সাগরের উপর উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস এবং উপরের স্তরে শীতল বাতাসের সংস্পর্শে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে জলীয় বাষ্প ও বালু উপরের দিকে উঠে এমন জলস্তম্ভ সৃষ্টি হয়। 

ভয় আতঙ্কের মধ্যেই ভিডিও করার ধুম

কক্সবাজারে আগেও কয়েকবার সমুদ্রসৈকতে টর্নেডো দেখা গেছে, তবে এত কাছে এসে আঘাত হানার ঘটনা বিরল।

সৈকতের দোকান ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েক বছরে কক্সবাজার সৈকতে এমন ঘটনা মাত্র কয়েকবার ঘটেছে। তবে এর আগে টর্নেডো সৈকতের কাছাকাছি এলাকা অতিক্রম করলেও সরাসরি সৈকতে আঘাত হানার ঘটনা খুব বেশি চোখে পড়েনি।

টর্নেডোর আঘাতে পর্যটকরা প্রথমে আতঙ্কিত হলেও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। অনেক পর্যটক এই বিরল দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এক পর্যটক বলেন, ‘জীবনে প্রথমবার টর্নেডো দেখলাম। প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম, পরে মুহূর্তটিকে উপভোগ করেছি।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬


কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর হানা, পর্যটকদের ছুটাছুটি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে আঘাত হেনেছে টর্নেডো। এতে সৈকতে পর্যটকদের জন্য রাখা অর্ধশতাধিক চেয়ার ও ছাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টর্নেডোর আঘাতে পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে এই টর্নেডো আঘাত হানে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন থেকে পাঁচ মিনিটের মতো স্থায়ী ছিল এই জলস্তম্ভ। এ সময় সুগন্ধা পয়েন্টে থাকা পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। পর্যটকেরা ছোটাছুটি শুরু করেন।

তবে টর্নেডোর আঘাতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। অনেক পর্যটক আতঙ্কিত না হয়ে বরং জলস্তম্ভের ছবি ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন।

কক্সবাজার কিটকট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সাগর থেকে ধীরে ধীরে বালুচরের দিকে এগোতে থাকে টর্নেডো। বেলা পৌনে তিনটার দিকে এটি সৈকতে আঘাত হানে। টর্নেডোর আঘাতে সৈকতে থাকা ৫২টি কাঠের চেয়ার ও ৬১টি ছাতা ভেঙে গেছে।'

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে টর্নেডো বা জলস্তম্ভ দেখা যায় কদাচিৎ। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমকালে সাগরের উপর উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস এবং উপরের স্তরে শীতল বাতাসের সংস্পর্শে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে জলীয় বাষ্প ও বালু উপরের দিকে উঠে এমন জলস্তম্ভ সৃষ্টি হয়। 

ভয় আতঙ্কের মধ্যেই ভিডিও করার ধুম

কক্সবাজারে আগেও কয়েকবার সমুদ্রসৈকতে টর্নেডো দেখা গেছে, তবে এত কাছে এসে আঘাত হানার ঘটনা বিরল।

সৈকতের দোকান ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েক বছরে কক্সবাজার সৈকতে এমন ঘটনা মাত্র কয়েকবার ঘটেছে। তবে এর আগে টর্নেডো সৈকতের কাছাকাছি এলাকা অতিক্রম করলেও সরাসরি সৈকতে আঘাত হানার ঘটনা খুব বেশি চোখে পড়েনি।

টর্নেডোর আঘাতে পর্যটকরা প্রথমে আতঙ্কিত হলেও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। অনেক পর্যটক এই বিরল দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এক পর্যটক বলেন, ‘জীবনে প্রথমবার টর্নেডো দেখলাম। প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম, পরে মুহূর্তটিকে উপভোগ করেছি।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত