মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল উৎসবের মধ্য দিয়ে জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ১০ গোলের এই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছেন থমাস টুখেলের শিষ্যরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের মুখে পড়ে ইংলিশরা। শেষ পর্যন্ত বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক এবং জুদ বেলিংহামের শেষ মুহূর্তের গোলে জয় নিশ্চিত হয় থ্রি লায়ন্সদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই ইংল্যান্ড মাঠে আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও বিরতির পর চারটি পরিবর্তন এনে খেলায় নতুন প্রাণ ফেরান ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম। ৪৮ মিনিটে মাইকেল অলিসের পাস থেকে কিলিয়ান এমবাপে গোল করার ছয় মিনিট পর আবারও এমবাপের সহায়তায় ব্যবধান ৪-২ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা।
৬৬ মিনিটে অলিসের নিখুঁত পাস থেকে এমবাপে নিজের দ্বিতীয় গোল করলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-৩। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ২২তম গোল করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড গড়েন ফরাসি অধিনায়ক এমবাপে। পাশাপাশি এবারের আসরে তার মোট গোল সংখ্যা দাঁড়ায় ১০টি।
ফ্রান্সের একের পর এক আক্রমণে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ যখন বিপর্যস্ত, তখন ৭৯ মিনিটে জুদ বেলিংহাম ও এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে মাঠে নামান কোচ টুখেল। ৮৫ মিনিটে ডিজেড স্পেন্স ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বুকায়ো সাকা।
এতে ইংল্যান্ড ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে দায়ো উপামেকানোর পাস থেকে গোল করে ওসমান ডেম্বেলে ব্যবধান ৫-৪ করেন। তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে অষ্টম মিনিটে বক্সের ভেতরে তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অসাধারণ এক গোল করেন জুদ বেলিংহাম।
৬-৪ ব্যবধানের এই জয়ের ফলে বেলিংহাম বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা সাত-এ উন্নীত করে এক আসরে কোনো ইংলিশ খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড গড়েন।
ম্যাচটিতে ইংল্যান্ডের হয়ে সাকার হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি ডেকলান রাইস ও এজরি কনসা একটি করে গোল করেন। ফ্রান্সের হয়ে কিলিয়ান এমবাপে জোড়া গোল করেন এবং একটি করে গোল আসে ব্র্যাডলি বারকোলা ও ওসমান ডেম্বেলের পা থেকে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল উৎসবের মধ্য দিয়ে জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ১০ গোলের এই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছেন থমাস টুখেলের শিষ্যরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের মুখে পড়ে ইংলিশরা। শেষ পর্যন্ত বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক এবং জুদ বেলিংহামের শেষ মুহূর্তের গোলে জয় নিশ্চিত হয় থ্রি লায়ন্সদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই ইংল্যান্ড মাঠে আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও বিরতির পর চারটি পরিবর্তন এনে খেলায় নতুন প্রাণ ফেরান ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম। ৪৮ মিনিটে মাইকেল অলিসের পাস থেকে কিলিয়ান এমবাপে গোল করার ছয় মিনিট পর আবারও এমবাপের সহায়তায় ব্যবধান ৪-২ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা।
৬৬ মিনিটে অলিসের নিখুঁত পাস থেকে এমবাপে নিজের দ্বিতীয় গোল করলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-৩। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ২২তম গোল করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড গড়েন ফরাসি অধিনায়ক এমবাপে। পাশাপাশি এবারের আসরে তার মোট গোল সংখ্যা দাঁড়ায় ১০টি।
ফ্রান্সের একের পর এক আক্রমণে ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ যখন বিপর্যস্ত, তখন ৭৯ মিনিটে জুদ বেলিংহাম ও এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে মাঠে নামান কোচ টুখেল। ৮৫ মিনিটে ডিজেড স্পেন্স ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বুকায়ো সাকা।
এতে ইংল্যান্ড ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে দায়ো উপামেকানোর পাস থেকে গোল করে ওসমান ডেম্বেলে ব্যবধান ৫-৪ করেন। তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে অষ্টম মিনিটে বক্সের ভেতরে তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অসাধারণ এক গোল করেন জুদ বেলিংহাম।
৬-৪ ব্যবধানের এই জয়ের ফলে বেলিংহাম বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা সাত-এ উন্নীত করে এক আসরে কোনো ইংলিশ খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড গড়েন।
ম্যাচটিতে ইংল্যান্ডের হয়ে সাকার হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি ডেকলান রাইস ও এজরি কনসা একটি করে গোল করেন। ফ্রান্সের হয়ে কিলিয়ান এমবাপে জোড়া গোল করেন এবং একটি করে গোল আসে ব্র্যাডলি বারকোলা ও ওসমান ডেম্বেলের পা থেকে।

আপনার মতামত লিখুন