বিগত ফ্যাসিবাদের সময় গণমাধ্যমের মানুষরা তোষামোদীতে ব্যস্ত ছিলেন, আর সেই তোষামোদী এখনো দেখতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মন্ত্রী বলেছেন, ‘গণমাধ্যমের কাজ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালন না করে তারা মোসাহেবিতে ব্যস্ত ছিলেন।’
রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (আইইবি) ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পাঁচ সাংবাদিকের পরিবারকে সম্মাননা ও এক লাখ টাকা করে অর্থসহায়তা দেওয়া হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তোষামোদী, মোসাহেবি- এই জিনিসটা আর দেখতে চাই না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওটাই দেখতে হয়। রাজনীতিতে একই ঘটনা ঘটে, আমলাতন্ত্রেও একই ঘটনা ঘটে। আমরা কেন জানি না জাতিগতভাবে বেরিয়ে আসতে পারছি না।’
তিনি মনে করেন, এই সংস্কৃতি থেকে বের হতে একটি বড় ধরনের বিপ্লবের প্রয়োজন হতে পারে, যার মধ্য দিয়ে আমূল পরিবর্তন আসবে।
অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদ সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য দেন। শহীদ তাহির জামান প্রিয়র মা সামসি আরা জামান বলেন, ‘গণমাধ্যম যদি ফ্যাসিস্টের তাবেদারি না করত, তাহলে শেখ হাসিনা খুনি হওয়ার সাহস করতেন না।’ তিনি জুলাই শহীদদের হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবি জানান।
শহীদ হাসান মেহেদীর স্ত্রী ফারহানা ইসলাম পপি বলেন, তার স্বামী হত্যার দুই বছর পার হলেও এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। তিনি হাসান মেহেদী হত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
ইংরেজি ‘দ্য ডেইলি ওয়াদার’-এর সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, ‘জুলাই এখনো শেষ হয়নি, বরং যুগ যুগ ধরে তা চলতে থাকবে। ’তিনি ঘোষণা দেন, ‘জুলাইয়ে শহীদ পাঁচ সাংবাদিকের সন্তানদের পড়াশোনার খরচ বহনে এনইসির পক্ষ থেকে সব সময় সহযোগিতা করা হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনইসির সভাপতি ও ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
বিগত ফ্যাসিবাদের সময় গণমাধ্যমের মানুষরা তোষামোদীতে ব্যস্ত ছিলেন, আর সেই তোষামোদী এখনো দেখতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মন্ত্রী বলেছেন, ‘গণমাধ্যমের কাজ ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালন না করে তারা মোসাহেবিতে ব্যস্ত ছিলেন।’
রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (আইইবি) ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পাঁচ সাংবাদিকের পরিবারকে সম্মাননা ও এক লাখ টাকা করে অর্থসহায়তা দেওয়া হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তোষামোদী, মোসাহেবি- এই জিনিসটা আর দেখতে চাই না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওটাই দেখতে হয়। রাজনীতিতে একই ঘটনা ঘটে, আমলাতন্ত্রেও একই ঘটনা ঘটে। আমরা কেন জানি না জাতিগতভাবে বেরিয়ে আসতে পারছি না।’
তিনি মনে করেন, এই সংস্কৃতি থেকে বের হতে একটি বড় ধরনের বিপ্লবের প্রয়োজন হতে পারে, যার মধ্য দিয়ে আমূল পরিবর্তন আসবে।
অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদ সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য দেন। শহীদ তাহির জামান প্রিয়র মা সামসি আরা জামান বলেন, ‘গণমাধ্যম যদি ফ্যাসিস্টের তাবেদারি না করত, তাহলে শেখ হাসিনা খুনি হওয়ার সাহস করতেন না।’ তিনি জুলাই শহীদদের হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবি জানান।
শহীদ হাসান মেহেদীর স্ত্রী ফারহানা ইসলাম পপি বলেন, তার স্বামী হত্যার দুই বছর পার হলেও এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। তিনি হাসান মেহেদী হত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
ইংরেজি ‘দ্য ডেইলি ওয়াদার’-এর সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, ‘জুলাই এখনো শেষ হয়নি, বরং যুগ যুগ ধরে তা চলতে থাকবে। ’তিনি ঘোষণা দেন, ‘জুলাইয়ে শহীদ পাঁচ সাংবাদিকের সন্তানদের পড়াশোনার খরচ বহনে এনইসির পক্ষ থেকে সব সময় সহযোগিতা করা হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনইসির সভাপতি ও ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন