ফরিদপুরের ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকিরকে নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে ‘চরাঞ্চলবাসী’র ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
নিহত ইউসুফ ফকির জেলার মমিন খাঁর হাটের একজন ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ইউসুফ ফকিরকে অত্যন্ত নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে চরাঞ্চলে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে তারা ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন অধ্যাপক আবদুত তাওয়াব, এ বি সিদ্দিকী মিতুল, আইনজীবী মোহাম্মদ সেলিম ও প্রিন্স আলী। এ সময় নিহতের ভাই নাজমুল বেপারী, স্ত্রী বেদানা বেগম ও ছেলে শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে আন্দোলনকারীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে পৃথক দুটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
/

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরের ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকিরকে নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে ‘চরাঞ্চলবাসী’র ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
নিহত ইউসুফ ফকির জেলার মমিন খাঁর হাটের একজন ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ইউসুফ ফকিরকে অত্যন্ত নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে চরাঞ্চলে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে তারা ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন অধ্যাপক আবদুত তাওয়াব, এ বি সিদ্দিকী মিতুল, আইনজীবী মোহাম্মদ সেলিম ও প্রিন্স আলী। এ সময় নিহতের ভাই নাজমুল বেপারী, স্ত্রী বেদানা বেগম ও ছেলে শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে আন্দোলনকারীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে পৃথক দুটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
/

আপনার মতামত লিখুন